"WHYCOFF"এর থিউরি অনুযায়ী একটি শেয়ারের একুমুলেশন ধরার কৌশল :
Phase A: Preliminary support (PS), Selling climax (SC) , Automatic rally (AR), Secondary test (ST)
Phase B: Secondary test-2 (ST-2 )
Phase C: Springs , Test
Phase D: sign of strength (SOS ), Last point of support ( LPS )
Selling climax (SC) : এ ধাপে বড় বড় ক্যান্ডল ও ভলিউমে হয়ে সেল প্রেসার বা পেনিক সেল বাড়তে থাকে । ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীগন আতঙ্কিত হয়ে সাপোর্ট লেভেলে বা জোনে এসে শেয়ার বিক্রি করতে শুরু করে। আর স্মার্ট মানি বা ইনস্টিটিউট সে শেয়ার গুলি কম মূল্যে কিনতে থাকে। সেলিং ক্লাইমেক্সের শেষ পর্যায়ে এসে পতন বন্ধ হয়ে যায়। যা ইন্সটিটিটিউট বা স্মার্ট মানি দ্বারা শেয়ার কেনা হয়েছে বলে আমরা বুজে নিতে পারি ।
Preliminary support (PS): একটি দীর্ঘ ডাউন ট্রেন্ডের পরে প্রাইস একটি লেভেলে সাপোর্ট পেতে শুরু করে। সাপোর্ট থেকে আস্তে আস্তে প্রাইস বৃদ্বির সাথে ভলিউম ও বৃদ্ধি পেতে থাকে। যা ইঙ্গিত করে যে ডাউন-মুভ তার শেষের দিকে আসতে শুরু করেছে ।
Automatic rally (AR): এ লেভেলে সেল প্রেসার অনেকটাই কমে যায় । বায়ার প্রাইস সহজেই উপরের দিকে নিয়ে যায়। এ ধাপে অল্প সময়ের জন্য শেয়ারের প্রাইস বৃদ্বি পায় । এটি একটি রেজিস্ট্যান্স জোনে পরিণত হয় ।
Secondary test (ST): এই স্তরে প্রাইস সাপ্লাই এবং ডিমান্ডের ভারসাম্য পরীক্ষা করার জন্য প্রাইস সেলিং ক্লাইম্যাক্স জোনে পুনরায় ফিরে আসে। প্রাইস সেলিং ক্লাইম্যাক্স এর এলাকায় সাপোর্ট কাছে আসার সাথে সাথে ভলিউম এবং প্রাইস কমতে থাকে । একটি সেলিং ক্লাইম্যাক্স এর পরে একাধিক বার সেকেন্ডারি টেস্ট হতে পারে।
Springs : স্প্রিংস সাধারণত একমুলেশনের শেষের দিকে ঘটে।
স্মার্ট মানি বা গ্যাম্বলার শেয়ারটিকে দাম বৃদ্বি করানোর আগে শেয়ারটির সাপ্লাই বা সরবরাহের একটি চূড়ান্ত টেস্ট করে। স্প্রিংস লেভেলে প্রাইস সাপোর্ট লেভেল ভেঙে নিচে চলে আসে এবং সাপোর্ট এর নিচে প্রাইস ক্লোজ হয়। এ পর্যায়ে স্মার্ট মানি দুর্বল হাত গুলিকে বিভ্রান্ত করে তাদের হাতের শেয়ার হাতিয়ে নেবার চেষ্টা করে । স্প্রিংস এক ধরনের ধোঁকা । এ পর্যায়ে দুর্বল হাত গুলি থেকে শেয়ার বের করে নেয়াই স্মার্ট মনির প্রধান টার্গেট।