Friday, June 10, 2022

স্টক সিলেকশন:

 স্টক সিলেকশন:

একটি স্টক কিভাবে সিলেকশন করতে হয় বা ওয়াচলিস্টে রাখতে হয় :
ইনডেক্স আপট্রেন্ডে নাকি ডাউনট্রেন্ডে দেখতে হয়।
সেক্টর আপট্রেন্ডে নাকি ডাউনট্রেন্ডে দেখতে হয়।
সেক্টরকে সব সময় ইনডেক্সের সাথে মিলিয়ে দেখতে হয়। যে সেক্টর ইনডেক্সের সাথে আপ ডাউন হয় সে সেক্টর সিলেক্ট করতে হয়।
স্টক কে সব সময় সেক্টরের সাথে সাথে মিলিয়ে দেখতে হয়। যে স্টক সেক্টরের সাথে সাথে আপ ডাউন হয় সে স্টক ওয়াচ করতে হয়।
যে স্টকের মোমেন্টাম স্ট্রং সাথে ভলিউম বাড়তেছে এবং যে স্টকে লিকুইডিটি বেশি সে স্টক ওয়াচ করতে হয়।
যে স্টকে লিকুইডিটি থাকে না সেটি মেনিপুলেটেড স্টক।
যে স্টক প্রাইস অল টাইম হাই প্রাইসের কাছাকাছি এবং আপট্রেন্ডে সে স্টক ওয়াচলিস্টে রাখতে হয়।
এন্ট্রি নেবার জন্য প্রাইস অ্যাকশন এর সাহায্য নিতে হয়। প্রাইস অ্যাকশন কি রকম হতে হবে তা জানতে হবে। : অন্ধ ভাবে স্টকে এন্ট্রি নেয়া যাবে না। কিছু প্যাটার্ন দেখে নিতে হবে যেমন : ১. কাপ এন্ড হ্যান্ডেল প্যাটার্ন ২. ফ্ল্যাগ প্যাটার্ন ৩. ট্রায়াঙ্গল প্যাটার্ন ৪. ফ্লাট বেইজ সাইডওয়াজ ব্রেকআউট। এ ৪ প্রকার প্যাটার্ন ব্রেকআউট দেখে এন্ট্রি নিতে হবে। এ প্যাটার্ন গুলিতে একুমুলেশন বা রিএকুমুলেশন হয়।
হোল্ড করবো কত দিন : হোল্ড করবো যত দিন মোমেন্টাম থাকবে।
কোথায় স্টপ লস নিতে হবে: প্যাটার্নের নিচের ক্যান্ডলে।
আমার স্টক সিলেকশনের সাথে অন্যের স্টক সিলেকশনের মিল নাও থাকতে পারে। আমরা সব সময় বলি "ট্রেন্ড ইজ ফ্রেন্ড"। আপট্রেন্ডের শেয়ার কিনতে হয়। কিন্তু শেয়ার কিনি ডাউনট্রেন্ড বা সাইডওয়েজের শেয়ার। পরে বিরক্ত হয়ে শেয়ার টি ছেড়ে দিই।
সতর্কতাঃ একটি কথা মনে রাখতে হবে এসব প্যাটার্ন আসলেই প্রাইস রিভার্স হয়ে যাবে বা প্রাইস বেড়ে যাবে এমন নাও হতে পারে। প্রাইস বাড়তেও পারে আবার কমতেও পারে। ট্রেডিংয়ে কোনো চার্ট এই পারফেক্ট নয়। সব গুলি লজিক তো আর শতভাগ কাজ করবে না কিছু ব্যতিক্রম তো থাকে। এটা মেনে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

স্টক সিলেকশন:
একটি স্টক কিভাবে সিলেকশন করতে হয় বা ওয়াচলিস্টে রাখতে হয় :
ইনডেক্স আপট্রেন্ডে নাকি ডাউনট্রেন্ডে দেখতে হয়।
সেক্টর আপট্রেন্ডে নাকি ডাউনট্রেন্ডে দেখতে হয়।
সেক্টরকে সব সময় ইনডেক্সের সাথে মিলিয়ে দেখতে হয়। যে সেক্টর ইনডেক্সের সাথে আপ ডাউন হয় সে সেক্টর সিলেক্ট করতে হয়।
স্টক কে সব সময় সেক্টরের সাথে সাথে মিলিয়ে দেখতে হয়। যে স্টক সেক্টরের সাথে সাথে আপ ডাউন হয় সে স্টক ওয়াচ করতে হয়।
যে স্টকের মোমেন্টাম স্ট্রং সাথে ভলিউম বাড়তেছে এবং যে স্টকে লিকুইডিটি বেশি সে স্টক ওয়াচ করতে হয়।
যে স্টকে লিকুইডিটি থাকে না সেটি মেনিপুলেটেড স্টক।
যে স্টক প্রাইস অল টাইম হাই প্রাইসের কাছাকাছি এবং আপট্রেন্ডে সে স্টক ওয়াচলিস্টে রাখতে হয়।
এন্ট্রি নেবার জন্য প্রাইস অ্যাকশন এর সাহায্য নিতে হয়। প্রাইস অ্যাকশন কি রকম হতে হবে তা জানতে হবে। : অন্ধ ভাবে স্টকে এন্ট্রি নেয়া যাবে না। কিছু প্যাটার্ন দেখে নিতে হবে যেমন : ১. কাপ এন্ড হ্যান্ডেল প্যাটার্ন ২. ফ্ল্যাগ প্যাটার্ন ৩. ট্রায়াঙ্গল প্যাটার্ন ৪. ফ্লাট বেইজ সাইডওয়াজ ব্রেকআউট। এ ৪ প্রকার প্যাটার্ন ব্রেকআউট দেখে এন্ট্রি নিতে হবে। এ প্যাটার্ন গুলিতে একুমুলেশন বা রিএকুমুলেশন হয়।
হোল্ড করবো কত দিন : হোল্ড করবো যত দিন মোমেন্টাম থাকবে।
কোথায় স্টপ লস নিতে হবে: প্যাটার্নের নিচের ক্যান্ডলে।
আমার স্টক সিলেকশনের সাথে অন্যের স্টক সিলেকশনের মিল নাও থাকতে পারে। আমরা সব সময় বলি "ট্রেন্ড ইজ ফ্রেন্ড"। আপট্রেন্ডের শেয়ার কিনতে হয়। কিন্তু শেয়ার কিনি ডাউনট্রেন্ড বা সাইডওয়েজের শেয়ার। পরে বিরক্ত হয়ে শেয়ার টি ছেড়ে দিই।
সতর্কতাঃ একটি কথা মনে রাখতে হবে এসব প্যাটার্ন আসলেই প্রাইস রিভার্স হয়ে যাবে বা প্রাইস বেড়ে যাবে এমন নাও হতে পারে। প্রাইস বাড়তেও পারে আবার কমতেও পারে। ট্রেডিংয়ে কোনো চার্ট এই পারফেক্ট নয়। সব গুলি লজিক তো আর শতভাগ কাজ করবে না কিছু ব্যতিক্রম তো থাকে। এটা মেনে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

স্টক সিলেকশন:
একটি স্টক কিভাবে সিলেকশন করতে হয় বা ওয়াচলিস্টে রাখতে হয় :
ইনডেক্স আপট্রেন্ডে নাকি ডাউনট্রেন্ডে দেখতে হয়।
সেক্টর আপট্রেন্ডে নাকি ডাউনট্রেন্ডে দেখতে হয়।
সেক্টরকে সব সময় ইনডেক্সের সাথে মিলিয়ে দেখতে হয়। যে সেক্টর ইনডেক্সের সাথে আপ ডাউন হয় সে সেক্টর সিলেক্ট করতে হয়।
স্টক কে সব সময় সেক্টরের সাথে সাথে মিলিয়ে দেখতে হয়। যে স্টক সেক্টরের সাথে সাথে আপ ডাউন হয় সে স্টক ওয়াচ করতে হয়।
যে স্টকের মোমেন্টাম স্ট্রং সাথে ভলিউম বাড়তেছে এবং যে স্টকে লিকুইডিটি বেশি সে স্টক ওয়াচ করতে হয়।
যে স্টকে লিকুইডিটি থাকে না সেটি মেনিপুলেটেড স্টক।
যে স্টক প্রাইস অল টাইম হাই প্রাইসের কাছাকাছি এবং আপট্রেন্ডে সে স্টক ওয়াচলিস্টে রাখতে হয়।
এন্ট্রি নেবার জন্য প্রাইস অ্যাকশন এর সাহায্য নিতে হয়। প্রাইস অ্যাকশন কি রকম হতে হবে তা জানতে হবে। : অন্ধ ভাবে স্টকে এন্ট্রি নেয়া যাবে না। কিছু প্যাটার্ন দেখে নিতে হবে যেমন : ১. কাপ এন্ড হ্যান্ডেল প্যাটার্ন ২. ফ্ল্যাগ প্যাটার্ন ৩. ট্রায়াঙ্গল প্যাটার্ন ৪. ফ্লাট বেইজ সাইডওয়াজ ব্রেকআউট। এ ৪ প্রকার প্যাটার্ন ব্রেকআউট দেখে এন্ট্রি নিতে হবে। এ প্যাটার্ন গুলিতে একুমুলেশন বা রিএকুমুলেশন হয়।
হোল্ড করবো কত দিন : হোল্ড করবো যত দিন মোমেন্টাম থাকবে।
কোথায় স্টপ লস নিতে হবে: প্যাটার্নের নিচের ক্যান্ডলে।
আমার স্টক সিলেকশনের সাথে অন্যের স্টক সিলেকশনের মিল নাও থাকতে পারে। আমরা সব সময় বলি "ট্রেন্ড ইজ ফ্রেন্ড"। আপট্রেন্ডের শেয়ার কিনতে হয়। কিন্তু শেয়ার কিনি ডাউনট্রেন্ড বা সাইডওয়েজের শেয়ার। পরে বিরক্ত হয়ে শেয়ার টি ছেড়ে দিই।
সতর্কতাঃ একটি কথা মনে রাখতে হবে এসব প্যাটার্ন আসলেই প্রাইস রিভার্স হয়ে যাবে বা প্রাইস বেড়ে যাবে এমন নাও হতে পারে। প্রাইস বাড়তেও পারে আবার কমতেও পারে। ট্রেডিংয়ে কোনো চার্ট এই পারফেক্ট নয়। সব গুলি লজিক তো আর শতভাগ কাজ করবে না কিছু ব্যতিক্রম তো থাকে। এটা মেনে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।