শেয়ার বিনিয়োগের কৌশল
রবিবার ফরেনাররা ক্রয় করেনা। আগে
লস
না
করার
প্রাকটিস
করেন
তাইলে
লাভ
আপনার
পিছনে
এমনিতেই
দৌড়াবে।
ভলিউম কমে যাচ্ছে ক্রমান্বয়ে এবং দর হারাচ্ছে এমন শেয়ার ভুলেও ক্রয় করবেন না, অবশ্যই স্টপ লস এর কথা মাথায় নিয়ে বিনিয়োগে যাবেন; মোটামুটি ধরনের ভলিউম পাচ্ছে এমন জীবন্ত শেয়ারে থাকাটাই মঙ্গলজনক, লেনদেনের সাথে দাম কমছে অনেক মনে করে হুট করে ক্রয়ে যাবেন না, যেটা কমছে সেটাকে আরো কমতে দিন পাতালে না যাওয়া পর্যন্ত এবং পাতাল থেকে শক্তি নিয়ে ফিরে আসার আগ পর্যন্ত কেনা যাবে না।
যে সব শেয়ারের ১ম ও ৩য় প্রান্তীকের ই.পি.এস এসেছে এদের মধ্যে যে সব শেয়ারের আর্থিক ভীত মজবুজ কিন্তু এখন ও দাম বাড়েনী সেইসব শেয়ারে বিনিয়োগ করার সময় এসেছে। এ শেয়ার গুলোর মধ্যে যে শেয়ার ডাউনট্রেন্ড লাইন ক্রস করে দাম বাড়ছে তখন বাই দিতে পারেন।
ইপিএস এবং ডিক্লারেশান এর মাস। যে সকল শেয়ার এর ভাল ইপিএস আসবে সে সব ম্যাক্সিমাম শেয়ার এর গেম হয়ে গেছে। বাকী আছে ডিক্লারেশান এর গেম। ডিক্লারেশান না দেখে এখন কোন শেয়ার ক্রয় করবেন না। ভাল ডিক্লারেশান ও ইপিএস দেখে বোনাস খান। মার্কেট আপ এ গেলে নতুন শেয়ার বের হয়ে আসবে গেম করার জন্য।
মনে
রাখবেন
গেম
হবে
HIT and RUN. Mature date এ যা
পাবো
বেচে
পালাবো।
কাল
কোন
মতে
টিকতে
পারলে
রবি
বারে
বেচে
পালাবো।
মার্কেট
খারাপ
এই
খারাপ
মার্কেটে
আমার
Strategy হোল HIT করে
RUN করা
।
যদি
লস
হয়
মেনে
নিতে
হবে।
আর
লাভ
হলে
মহা
আনন্দ।
HIT and RUN গেমে ঝুঁকি
আছে
অনেক।
খারাপ
মার্কেটে
আমি
কখনই
বেশী
লাভের
আশায়
কোন
লাভের
আইটেম
hold করিনা।
ডিসেম্বর
হলো
বছরের
ক্লোজিং
মাস
,ওই
মাসে
ব্যাংক,ফাইনান্স
, বীমা
,ইত্যাদি
প্রতিষ্ঠানের
ক্লোজিং
মাস
চলে
।
যার
কারনে
তাদের
ব্যালেন্স
শীট
এ্যাডজাস্ট
করার
জন্য
শেয়ার
সেল
করতে
হয়
।
যার
জন্য
বাজারে
প্রচুর
সেল
প্রেসার
থাকে
।
এবং
বাজার
কিছুটা
কারেকশান/স্লো
হয়ে
থাকে
।
নতুন বছর এ ফাইনান্সস ইন্সটিটিউট ব্যাংক, বীমা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান ক্রয় মুডে যাবে।
মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত পুজিবাজার ভালো থাকে। ২০-৩০ তারিখ পর্যন্ত পুজিবাজার খারাপ বা স্লো থাকে তখন বিনিয়োগ না করাই ভাল।
মার্কেটের সবচেয়ে বড় নেতিবাচক বিষয় হলো লেনদেন কমে যাওয়া । লেনদেন কমে গেলে মার্কেট পজেটিভ ধারায় ফিরা অনেক কষ্টসাধ্য ব্যপার হবে ।আমরা ২০১০ সাল থেকে দেখে আসছি মার্কেট যখন ১০০০-১২০০ কোটি টাকা লেনদেন হয় এর কিছুদিন পর থেকে মার্কেটৈ পতন শুরু হয় । অর্থাৎ এই লেভেলের লেনদেন করে গেইমলার রা মার্কেট থেকে ধীরে ধীরে সটকে পরে । তখন মার্কেট আবার ১,২,৩,৪ মাস পযর্ন্ত প্রানহীন থাকে ,এবং লেনদেন কমতে কমতে আবার ২০০-৩০০ কোটায় টাকায় এসে ঠেকে । এভাবে মার্কেট ৩-৪ মাস এই ধারায় চলতে থাকে । তখন মার্কেটৈ শুধু সাধারন বিনোয়োগকারী দের হাহাকার ছাড়া আর কোন কিছুই অবশিষ্ট থাকে না । তখন অধিকাংশ শেয়ারের দর তলানীতে চলে আসে । তখন গেইমলার রা আবার ৪-৫ এইভাবে যাওয়ার পর মার্কেটে পুনরায় পানির দামে শেয়ার কালেকশান করতে থাকে । এবং তাদের কালেকশান পিয়রড চলে ১-২ মাস । তারপর আবার মার্কেট ২০০-৩০০ কোটি টাকা লেনদেন থেকে ধীরে ধীরে লেনদেন বাড়তে থাকে । এক পর্যায়ৈ লেনদেন আবার ৮০০-১০০০ কোটি টাকায় পেীছায় ,এবং মার্কেট ৩-৪ মাসের জন্য খুব হট থাকে । এই যেমন মার্কেঠ এবার ৩-৪ মাস হট ছিলো । তারপর আবার অনেক উচ্চমুল্যে শেয়ার পাবলিক দের হাতে ধরিয়ে পার্টিরা বাজার থেকে সরে দাড়ায় । তখন মার্কেটে ভালো এডমিন দের সাথে সাথে চিনা,পুটিরা ও আইটেম দেয় । তখন ফেইসবুক ঝুরে আইটেম ,মতিঝিলের চা দেকোনে আইটেম ,পান বাজারে আইটেম, রেস্টুরেন্ট আইটেম পাওয়া যায় । আর যখন ই এই অবস্হা হয় তখন আর বুজতে বাকি থাকে না মার্কেট কোথায় যাচ্ছে বা যাবে । বুদ্ধিমানরা সর্তক হয় আর আম পাবলিক চিনা,পুটির পিছনে আইটেম পাবার জন্য ইয়েস ইয়েস করে । আর তখন উচ্চমুল্যে শেয়ার ইয়েস ইয়েস থেকে নো নো হয়ে যায় । এখন আর কাউকে তেমন দেখবেন না বলতে আমার কাছে একটা হট আইটেম আছে ,যাদের লাগবে ইয়েস কমেন্টস করুন । এখন ফেইসবুক ঠান্ড হবে ,চা দোকান ও ঠান্ডা হবে । মার্কেট বিশ্লেষন দিলে কেউ পড়তে চায় না ,বুজতে চায় না ,কিন্তু কেউ যদি বলে আমার কাছে হট আইটেম আছে তো কিছু পাবিলিক পাগল হয়ে যায় ।আর পাগল হয়ে যাওয়া পাবলিকই বেশি ধরা খায় ।
অনেক শেয়ারের ইপিএস আসছে এবং সামনে আরো আসবে ।অর্ধেক ফান্ডা অর্ধ্যেক লো পেইডআপ এমন শেয়ার এর ইপিএস ভালো আসলে সেটা নিয়ে গেইম হয় ভালো ।গেইমলার রা মার্কেট এ প্রবেশ করে, আবার ৩/৪ মাস অবস্হান করে মার্কেট থেকে বের হয়ে যায় ।
শেয়ার বাজারে ব্যবসা করতে হলে আপনাকে ৩টা বিষয় বুঝতে হবে তা হল :
১। Gambler psychology : আপনাকে বুঝতে হবে মামু রা এখন কি নিবে? কেন নিবে ? কতদূর নিবে ?
২। investor psychology (
TA ) : technical analysis এর মাধ্যমে বুঝতে হবে মামুদের সাথে সাধারণ পাবলিক ও কি ডুকছে নাকি মামুরা এখন ও buy মুডে আছে।
৩। company psychology
(fundamental analysis ) : আমি এখানেই বেশি জোর দেই যদি company ভাল না করে তা হলে মামুরা বেশি দূর খেলে না।
এই গুলোর উপর ভিওি রে আপনার টাকাকে ৪ ভাগে ভাগ করবেন। ১০ লাখ টাকার ১টি উদাহরণ দেখি।
1. 2.5 লাখ fixed deposit এ থাকবে bank এ।
2. 2.5 লাখ Long term এ more then 6 month (ভাল dividend & right খাবেন )
3. 2.5 লাখ Short term (এক quarter থেকে আরেক quarter পযন্ত)
4. 2.5 লাখ যা খুশি তাই (T+3 / অমুক ভাই কিনেছে বা কিনতে বলেছেন / মনে হল দাম বাড়বে তাই /খুব ভাল Dividend আসবে / Gambler ডুকেছে/ FB admin বলেছে / দাম অনেক বাডছে আরও বাডবে।)
লাভ পাওয়া মাত্রই লাভ নিয়ে নেবেন। অপেক্ষা করার কোন অযুহাত যেন ক্ষতির কারন না হয় সেই দিখে খেয়াল রাখবেন।সঠিক সময়ে একটি ভালো শেয়ার খুজে বের করে সেটা বাই করা যতটা কঠিন তার চেয়েও কঠিন একদম সঠিক সময়ে সেটা সেল দিয়ে প্রফিট নেওয়া।আপনি সেল দেওয়ার পরে যদি সেই শেয়ার আর না বাড়ে, সেখান থেকেই পড়া শুরু করে তাহলেই আপনি বলতে পারবেন আপনি একদম সঠিক জায়গায় সেল দিয়েছেন।এটা খুব কঠিন একটা কাজ, কারন যখন আপনি প্রফিটে কোন শেয়ার হোল্ড করবেন তখন সেটা হোল্ড করা বা সেল দেওয়া নিয়ে আপনার নিজের ভিতরেই দ্বিধা-দ্বন্দ কাজ করে।অনেক সময়ে আমরা তাই এ ক্ষেত্রে আবেগের বশবর্তী হয়ে ঠিক জায়গায় সেল দিতে পারি না।
যদি
সকালে
কারেকশানে
যায়
তাহলে
শেয়ারটি
কিছুক্ষন
পর
মানে
১১-১২
টার
পর
আবার
আপটেন্ডে
যাবে
।
আর
যদি
ওপেন
প্রাইজ
আপ
টেন্ডে
হয়
তাহলে
কিছুক্ষন
পর
আপ
টেন্ডে
দরে
রাখতে
পারবে
না
।যদি
আপটেন্ড
দিয়ে
শুরু
হয়
তাহলে
সেল
করে
প্রফিট
টেইক
করতে
পারেন
।আর
যদি
নেগেটেভ
টেন্ড
দিয়ে
শুরু
হয়
তাহলে
সেল
প্রেশার
কমার
জন্য
ওয়েট
করুন
।এবং
কিছুক্ষন
পর
আপ
টেন্ডে
গেলে
দেন
সেল
করতে
পারেন
অথবা
হোল্ড
করতে
পারেন
।তবে
সেল
করে
প্রফিট
টেইক
ই
বেটার
।
কিছুদিন আগেও যেই আইটেম গুলো মার্কেট লিডিং দিয়েছিলো এখন এই গুলো মৃত প্রায় । তেমনি এখন যেই আইটেম গুলো লিডিং দিচ্ছে সেইগুলো আবার কিছুদিন পর ড্রাই হয়ে যাবে । তাই শিখর পর্যায়ে শেয়ার বাই করা থেকে বিরত থাকা উচিত ।
পেনিক
দিয়ে
মাল
হাতিয়ে
নেওয়া
।
ভালো
ইপিএস
আসলে
ও
প্রথম
দিন
শেয়ার
টান
দেয়
না
।
২/৩
দিন
স্লো
রাখে
মামারা
।
দেন
২/৩
দিন
পর
ফাইনাল
টান
দেওয়া
শুরু
করে
প্রেজেন্ট
ট্রেন্ড
প্লাস
হিস্টোরিকাল
মার্কেট
মুভমেন্টের
দিকে
খেয়াল
রাখুন...ক্যাপিটেল
রিডিফাইন
করুন
... খাতওয়ারি
চয়েসে
যান
!! একটা
অংশ
ভালো
শেয়ারে
বিনিয়োগ
করুন
যেগুলো
কিনা
বেস
প্রাইস
বা
লো
প্রাইসে
আছে
এবং
EPS ভালো
শো
করেছে
... একটা
অংশ
সামনে
ট্রেন্ডে
আসবে
এরকম
শেয়ারে
বিনিয়োগ
করুন
...সর্বশেষ
অংশ
মার্কেট
মোমেনটামে
আছে
এরকম
শেয়ারে
বিনিয়োগ
করুন
no risk no gain এই
নীতিতে
...আরেকটা
কথা
-- ভালো
স্টক
ডিভিডেন্ড
দিছে
এরকম
শেয়ার
সবসময়
ভালো
গেইন
দেয়
না
... প্রায়
সময়
দেখা
যায়
এডজাস্টমেন্টের
পরে
শেয়ারটি
আরও
কম
দামে
পাওয়া
যায়
...তবে
ক্যাশ
ডিভিডেন্ড
এর
ক্ষেত্রে
এটা
খুব
কম
হয়
... ভালো
আর্থিক
ভিত্তি
না
থাকলে
ক্যাশ
ডিভিডেন্ড
দেয়া
সহজ
নয়
!!!
যে সব শেয়ারের দাম থেমে থেমে দাম বেড়েই চলছে নতুন করে এখন এই সব শেয়ারে বিনিয়োগ না করে অল্প দামের যে শেয়ার গুলো ভাল কিন্তু এখনো দাম বৃদ্ধি পায়নি সেইসব শেয়ার খুজে বের করুন ও নিরাপদ বিনিয়োগ করুন।কেউ লস দিয়ে হাতে থাকা অবহেলীত শেয়ার বিক্রী বন্ধ করুন।
মনে রাখতে হবে, বিক্রির সময় নয়, বরং কেনার সময়ই লাভের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ ভালো দামে শেয়ার কিনতে পালে ভালো লাভের সম্ভাবনা বেশি থাকবে। কেনার সময় দাম বেশি পড়ে গেলে লাভের সম্ভাবনা একটু হলেও কমে আসবে।
শেয়ার বাজারে টিকে থাকতে হলে আপনাকে তথ্য সংগ্রহ, টেকনিক্যাল এনালাইসিস, ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস করতে হবে মানে আপনাকে অলরাউন্ডার হতে হবে।
কোন একটি শেয়ার কেনার পূর্বে অন্তত ৫ মিনিট সময় নিন। শেয়ার টির মুল ভিত্তি, ইপিস, ডিভিডেন্ড পজিশন, পাবলিক হোল্ডিং চেক করুন।সবচেয়ে বড় কথা হল নিজ সিদ্ধান্তে buy দিন। কারো প্ররোচনাতে নয়।
অনেক আইটেমের ইপিএস আসছে এবং সামনে আরো আসবে ।অর্ধেক ফান্ডা অর্ধ্যেক লো পেইডআপ এমন শেয়ার এর ইপিএস ভালো আসলে সেটা নিয়ে গেইম হয় ভালো ।
যে সব
share এর EPS
, PE & NAV ভাল তা দেখে buy
& sell করুন
মানি ফ্লো টা একটা ব্যাপার বটে; যতদিন পর্যন্ত লেনদেন ভালো থাকবে ততদিন পর্যন্ত নিশ্চিত; আচানক লেনদেন ৫০০ কোটির নিচে নেমে আসলেই ক্যাবল কিছুটা শঙ্কিত হতে হয়, নতুবা নয়।
ঈদ-কোরবানির ছুটির আগে বরাবর মার্কেট কারেকশন হয় কিন্তু এবার কোরবানির আগে কারেকশন হয়নি বরং বাজার একটানা একমাস পুরা পাগলা ষাড়ের মত বেড়েছে।মনে রাখবেন, শেয়ার বাজারের কারেকশনকে আপনি বাড়তি টাকা বাজারে ঢুকিয়ে সাময়ীকভাবে দূরে রাখতে পারবেন কিন্তু সেটাকে চিরস্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিতে পারবেন না।বরং যথাযথ প্রয়োজনীয় কারেকশনকে আপনি এভাবে কৃত্তিমভাবে যত দূরে সরিয়ে গা বাচিয়ে চলবেন তত সেটা ফুলে ফেপে বড় দানবের আকার ধারন করবে এবং একসময় সেটা আগের চেয়ে শক্তিশালি হয়ে আপনার পোর্টফোলিওকে আঘাত করবে।
বর্তমান মার্কেটৈ ভালো গেইমলিং আইটেম খুজে পাওয়া তেমন দুষ্কর নয় । একটু চোখ বুলান মার্কেটৈ আইটেম খুজে পাবেন । রানিং আইটেম বাছাই করবেন ,১০-১২ দিনে ১০% প্রফিট পেলেই ষথেষ্ট মনে করে সেল করবেন । তাই মার্কেট যখন যেই আচরন করে সেই আচরনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে শিখুন ।
এই মার্কেটে আগে শিখতে হবে কিভাবে লস না করে টিকে থাকা যায়। এটা যদি আপনি শিখতে পারেন তাইলে এমন সময় আসবে যেদিন আপনি মার্কেটের যে কোন সিচুয়্যেশনে প্রফিট করতে পারবেন। বেশিরভাগ ইনভেস্টরদের সাইকোলজি হল কিভাবে প্রফিট করা যায় সে বিষয় আয়ত্ত করা। অথচ বেশির ভাগ ইনভেস্টরই লুজার। তাইলে কি লাভ হল সবার সাইকোলজির সাথে তাল মিলিয়ে? তাই সবাই যেখানে
একরকম
চিন্তা
করে
সেখানে
আপনি
চিন্তা
করুন
ইউনিক।
যারা
নতুন
ইনভেস্টর
বা
নতুন
এনালাইসিস
শিখছেন
তাদের
উদ্দেশ্য
একটাই
কথা
বলব,
আগে
লস
না
করার
প্রাকটিস
করেন
তাইলে
লাভ
আপনার
পিছনে
এমনিতেই
দৌড়াবে।
মার্কেট কখন ভালো হবে ?সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন ।এর সহজ উওর = যতক্ষন পর্যন্ত মার্কেট নিয়ে আপনাদের পেনিক চরম পর্যায়ে না পেীছবে ততক্ষন পর্যন্ত মার্কৈট ভালো হবে না ।
ভাবছেন
অনেক
কঠিন
কথা
বলেছি
?না
,প্রকৃত
সত্য
এটাই
।
মার্কেটের
অতীত
ইতিহাস
তাই
বলে
।
যতক্ষন
পর্যন্ত
পাবলিকের
মেজাজ
খারাপে
না
যাবে
ততক্ষন
মামারা
মার্কেটে
ইন
করবে
না
।
এই
পেনিকে
আপনি
যতক্ষন
ধর্যহারা
না
হবেন
এবং
শেয়ার
সেল
না
করবেন
ততক্ষন
মামারা
আপনাকে
পেনিক
দিয়েই
যাবে
।
যখন
আপনি
রেগে
শেয়ার
সেল
করে
আরো
পতন
এর
জন্য
ওয়েট
করবেন
তখনই
মার্কেট
পতন
এর
ধারা
থেকে
বের
হয়ে
আসবে
।
এমনই
মার্কেট
ইতিহাস
।
আর
এই
ইতিহাস
ভূলে
যে
হাতে
থাকা
শেয়ার
লোকসানে
সেল
দেয়
সেই
আস্তাক্ষুরে
নিক্ষেপ
হয়
।
এখন
আপনি
নিজেই
উওর
পাবেন
মার্কৈট
কখন
ভালো
হবে
।
মার্কেটে যেদিন নতুন আইপিও আসে তার পূর্বের দিন মার্কেট চরম ভাবে মাইর খায় । শুধু আজ এর ব্যতিক্রম হলো । যা মার্কেটের জন্য ইতিবাচক সাইড হিসেবে অভিহিত করা যায়
নভেম্বরের শেষের দিকে, ডিসেম্বর মাস পুরাটাই জেড ক্যাটাগরির দাপট থাকবে। সে মোতাবেক এই চলতি ডিসেম্বরে যতগুলো শেয়ারের দর বেড়েছে অধিকাংশই জেড ক্যাটাগরির।
মার্কেট মুভমেন্ট গুলো বোঝার চেষ্টা করুন।যেই শেয়ার এর নিউজ আছে ওই শেয়ার সেল করেন যেই শেয়ার এর নিউজ নাই ওই শেয়ার ক্রয় করেন।
বিশেষ করে রবিবার মার্কৈট মিক্সড যায় ,কারন এই দিন ফরেন ইনবেস্টর রা ক্রয়- বিক্রয় থেকে বিরত থাকে । তাছাড়া ক্লোজিং মাস হিসেবে ডিসেম্বর মাসে সেল প্রেসার একটু বেশি থাকে এ্যাডজাস্টমেন্ট এর জন্য ।
কিছু শেয়ার ডে বাই ডে আপ হচ্ছে । যেমন সাপোর্ট, কাশেম ড্রাই, বিডি থাই । এখন এই শেয়ার গুলোর নিউজ আপনি পেতেই থাকবেন , ১৫০ যাবে ,১২০+ হবে ,৭০+ ইত্যাদি । আপনি খেয়াল করুন তো সাপোর্ট যখন ২৫-৩০ টাকা ছিলো এই শেয়ার এর নিউজ কি আপনি পেয়েছিলেন যে ৮০ টাকা যাবে ?পাননি ,কিন্তু কেনো পাননি ?কারন তখন কালেকশান হয়েছে । আর কালেকশান
করার
সময়
কোন
নিউজ
আপনারা
পান
নাই
বা
পাবেন
না
।প্রশ্ন
হলো
এখন
১৫০
এর
নিউজ
পাচ্ছেন
কেনো
? এখানেই
মুল
ফ্যাক্ট
।
কারন
এখন
যে
খাওয়াতে
হবে
।
তাই
নিউজ
আপনার
হাতে
,আমার
হাতে
,সবার
হাতে
।
এই
নিউজ
যখন
আপনি
ট্রাস্ট
করবেন
তখনই
কট
।
মনে
আছে
মবিল
যমুনা
যখন
১৫০
গেলো
তখন
বাজারে
রিউমার
ছিলো
২৫০-৩০০
যাবে
।
সবাই
ভাবলো
আসলে
তাই
,কারন
যেভাবে
দর
বৃদ্ধি
পাচ্ছে
তাতে
যেতেই
পারে
।
এই
চিন্তা
করে
যারা
উচ্চদরে
ক্রয়
করলো
তারা
এখন
কি
ভাবছে
?এসিআই
যখন
৫০০
গেলো
রিউমার
ছড়ালো
১০০০
যাবে
।
যারা
টাস্ট
করে
ক্রয়
করলো
তারা
এখন
কি
ভাবছে
?ঠিক
এমনি
এখন
যেই
শেয়ার
এর
নিউজ
আছে
এই
গুলো
থেকে
দুরে
থেকে
যেই
শেয়ার
গুলো
অনেক
দিন
যাবত
দর
হারিয়েছে
সেইগুলো
ক্রয়
করে
কিছুদিন
ওয়েট
করুন
,ভালো
রিটার্ন
পাবেন
।
এখন
উচ্চমুল্যে
আপনাদের
কাছে
শেয়ার
ধরিয়ে
মামারা
আবার
আপনি
যেই
শেয়ার
কম
মুল্যে
বিক্রি
করলেন
ওই
শেয়ার
গুলোতেই
লোড
নিবে
।
যখন
মার্কেট
এ
পতন
শুরু
হয়
তখন
এই
সব
শেয়ার
এর
ক্যাসিনো
শুরু
হয়
।আর
যখন
এমন
শুরু
হয়
তখন
বুজতে
হবে
মার্কেটে
কিছু
সময়ের
জন্য
নেগেটিভ
হওয়ার
লক্ষন
দেখা
দিয়েছে
।
এই
সময়
হাতে
ক্যাশ
রাখা
বেটার
যদি
ক্যাশ
থাকে।
যেই আইটেম আপনাদের কাছে যত প্যানিক মামাদের কাছে সেই আইটেম তত আশীর্বাদ .আবার যেই আইটেম আপনাদের কাছে আশীর্বাদ সেই আইটেম মামাদের কাছে তত প্যানিক । জাস্ট এই থিউরী টা মেনে বিজনেস করলে বিডি স্টক মার্কৈটে বিজনেস সম্ভব ,অন্যথায় নয় ।
C‡`i 1/2
mßvn Av‡M gv‡K©U †_‡K A‡b‡K gybvdv D‡Ëvjb K‡i ZvB gv‡K©U wbgœgywL ev †¯v †h‡Z
cv‡i| ZLb nv‡Z _vKv jv‡fi ‡kqvi wewµ K‡i mvBW jvB‡b †h‡Z n‡e|
gv‡mi †kl 10 w`b gv‡K©U wbgœgywL ev †¯v hvq| ZLb
nv‡Z _vKv jv‡fi ‡kqvi wewµ K‡i mvBW jvB‡b †h‡Z n‡e|
†Kvb †kqvi Gi `vg wbf©i K‡i †µZv I we‡µZvi
Trade volume Gi msL¨vi Dci| hw` 2Rb †µZv _v‡K Avi Zvi wecix‡Z 2 Rb we†µZv _v‡K
ZLb `vg mgvb _vK‡e|
hw` 2Rb †µZv _v‡K Avi Zvi wecix‡Z 3 Rb we†µZv
_v‡K ZLb `vg K‡g hv‡e|
hw` 3Rb †µZv _v‡K Avi Zvi wecix‡Z 1 Rb we†µZv
_v‡K ZLb `vg evo‡e|
High value, High volume,
High trade G 3wUi mgš^q †h †kqv†i n‡e ZLb †m †kqvi Gi `vg evo‡e|
†Kvb †Kv¤úvbxi AGM †kl n‡j mí †gqvw` Bb‡fó Kiv
†h‡Z cv‡i|
†h †Kvb †kqvi Entry w`‡Z n‡e 3 gv‡mi Rb¨| EPS
‡Nvlbvi c‡ii w`b †_‡K hw` EPS fvj Av‡m|
jm G †kqvi wewµ Kiv hv‡e bv cÖ‡qvR‡b mgš^q Ki‡Z
n‡e|
wW‡m¤^i gv‡m me e¨sK Ges wewb‡qvMKvix cÖwZôvb
Zv‡`i †K¬vwRs Kivi Rb¨ ‡kqvi wewµ K‡i ZvB b‡fš^i Gi †kl mßvn G †kqvi wewµ K‡i
w`‡q wW‡m¤^i Gi Gi †kl mßvn G †kqvi wKb‡Z n‡e|