রবিবার: রবিবার মার্কৈট মিক্সড যায় ,কারন এই দিন ফরেন ইনবেস্টর রা ক্রয়- বিক্রয় থেকে বিরত থাকে ।
মাসের শেষ সপ্তাহ : মাসের শেষ ১০ দিন মার্কেট স্লো থাকে বা নিম্নমুখী হয়। তখন হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে সাইড লাইনে চলে যেতে হয়। মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত পুজিবাজার ভালো থাকে। ২০-৩০ তারিখ পর্যন্ত পুজিবাজার খারাপ বা স্লো থাকে তখন বিনিয়োগ না করাই ভাল।
জানুয়ারী মাস:
এ মাস মুদ্রা নীতির মাস এবং সে সাথে ইপিএস ঘোষণার মাস। মুদ্রানীতির এবং সে সাথে ইপিএস আতংকের কারনে মার্কেটে অস্তিরতা বিরাজ করে। নতুন বছরে ফাইনান্স, ইন্সটিটিউট, ব্যাংক, বীমা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ক্রয় করে ।
ফেব্রুয়ারী মাস:
এ মাস শেয়ার মার্কেটের স্বাভাবিক আচরণ থাকে। জানুয়ারী মাসে যে শেয়ারের ভালো ইপিএস এসেছে । সে শেয়ার গুলির যে গুলির এখনো প্রাইস বাড়ে নাই সে শেয়ার গুলিতে বিনিয়োগ করতে হবে।
মার্চ মাস:
এ মাস শেয়ার মার্কেটের স্বাভাবিক আচরণ থাকে। এপ্রিল মাস ইপিএস ঘোষণার মাস। যে শেয়ার গুলির ভালো ইপিএস আসতে পারে। সে শেয়ার গুলির গেম শুরু হয়ে যাবে। তাই কোন শেয়ার গুলির ভালো ইপিএস আসতে পারে। কোন শেয়ার গুলির ভালো ইপিএস আসলে আপট্রেন্ড শুরু হতে পারে সে গুলি খুঁজে বের করতে হবে।
এপ্রিল মাস:
শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগকারীদের জন্য এ মাসটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এপ্রিল মাসে ইপিএস আসে তাই সবাই আতঙ্কে থাকে। জুন ক্লোজিং শেয়ার গুলির তৃতীয় প্রান্তিক বা থার্ড কোয়াটার আসে এপ্রিল মাসে। ডিসেম্বর ক্লোজিং বেশিরভাগ শেয়ার গুলির ডিক্লারেশন আসে এপ্রিল মাসে। যে শেয়ার গুলির ভালো ইপিএস আসবে ইতিমধ্যে সে গুলির বেশির ভাগ আগেই প্রাইস বেড়ে যাবে। বেড়ে যাওয়া শেয়ার গুলির যে গুলির খারাপ ইপিএস আসবে সে পড়ে যাবে। তাই সবাই একটু আতংকে থাকে। আবার যে গুলির ইপিএস ভালো আসবে কিন্তু দাম এখনো বাড়ে নাই। সে গুলি আপট্রেন্ডে যাবার জন্য প্রস্তুত হতে থাকে। তাই কোন শেয়ার গুলির ভালো ইপিএস আসলে গেম হতে পারে সে গুলি খুঁজে বের করতে হবে।
মে মাস:
এপ্রিল মাসে যে শেয়ার গুলির ভালো ইপিএস এসেছে গেম শুরু হতে পারে সে শেয়ার গুলি খুঁজে বের করে অবস্থান নিতে হবে। এ মাসে জুন ক্লোজিং শেয়ার গুলি আস্তে আস্তে বাড়া শুরু করে।
জুন মাস :
এ মাসে বাজেট ও ব্যাংক গুলির জুন ক্লোজিং এর জন্য মার্কেটে এক প্রকার আতংক কাজ করে। শেয়ার মার্কেটের মৌসুম শুরু হয় এ মাস থেকে। জুলাই মাস বা পরবর্তী মাস ইপিএস ঘোষণার মাস। যে শেয়ার গুলির ভালো ইপিএস আসতে পারে। সে শেয়ার গুলির গেম শুরু হয়ে যাবে। তাই কোন শেয়ার গুলির ভালো ইপিএস আসতে পারে তাই কোন শেয়ার গুলির ভালো ইপিএস আসলে গেম হতে পারে সে গুলি খুঁজে বের করতে হবে।
জুলাই মাস :
জুন ক্লোজিং শেয়ার গুলির যে গুলির ইপিএস ভালো হয়েছে সে গুলি বাড়তে থাকে। এ মাসে জুন ক্লোজিং শেয়ার গুলির গতি বাড়তে থাকে।
অগাস্ট মাস:
জুন ক্লোজিং শেয়ারের সেমি ফান্ডা ও লো পেইডআপ শেয়ার গুলি গেম করে।
সেপ্টেম্বর মাস:
লো পেইডআপ এবং জাঙ্ক শেয়ার গেম করে। লোকেপ আর জাঙ্ক এর প্রথম , দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ওয়েভ তৈরী হয়। সেপ্টেম্বরের মাঝের থেকে বা অক্টোবরের প্রথম থেকে জুন ক্লোজিং অনেক শেয়ারের ডিস্ট্রিবিউশন শুরু হয়ে যায়। তাই সতর্কতার সাথে এ সময়ে ট্রেড করা উচিত। সেপ্টেম্বরের শেষের সপ্তাহ থেকে বা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে জুন ক্লোজিং শেয়ারের সম্ভাবনাময় লোপেইড শেয়ার খুঁজতে হবে। কারণ এ সময় লোপেইড শেয়ারের দাপট দেখা যায়। সেপ্টেম্বরের শেষের সপ্তাহ থেকে বা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে জুন ক্লোজিং শেয়ারের সম্ভাবনাময় লোপেইড শেয়ার খুঁজতে হবে। কারণ এ সময় লোপেইড শেয়ারের দাপট দেখা যায়।
অক্টোবর মাস:
ইপিএস এবং ডিক্লারেশান এর মাস। জুন ক্লোজিং বেশিরভাগ শেয়ার গুলির ডিভিডেন্ট ডিক্লারেশন আসে অক্টোবর মাসে। অক্টোবর মাস প্রথম ১৫ / ২০ দিন লোকেপ আর পরের ১৫/১০ দিন জাঙ্ক। যে সকল শেয়ার এর ভাল ইপিএস আসবে সে সব ম্যাক্সিমাম শেয়ার এর গেম হয়ে গেছে। বাকী আছে ডিক্লারেশান এর গেম। ডিক্লারেশান না দেখে এখন কোন শেয়ার ক্রয় করা যাবে না। ভাল ডিক্লারেশান ও ইপিএস দেখে বোনাস খেতে হবে। মার্কেট আপ এ গেলে নতুন শেয়ার বের হয়ে আসবে গেম করার জন্য। যে গুলির ইপিএস খারাপ আসবে সে গুলি আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে যাবে।
নভেম্বর মাস:
প্রথম ১৫ দিন জুন ক্লোজিং ফার্স্ট কোয়াটার ই পি এস আসে। নভেম্বরের শেষের দিকে, ডিসেম্বর মাস পুরাটাই জেড ক্যাটাগরির দাপট থাকবে। সে মোতাবেক এই চলতি ডিসেম্বরে যতগুলো শেয়ারের দর বাড়বে অধিকাংশই জেড ক্যাটাগরির।
ডিসেম্বর মাস:
ডিসেম্বর হলো বছরের ক্লোজিং মাস,এই মাসে ব্যাংক,ফাইনান্স , বীমা ,ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের ক্লোজিং মাস চলে । ক্লোজিংয়ের কারনে মার্কেটে এক ধরণের আতংক কাজ করে। ক্লোজিং মাস হিসেবে ডিসেম্বর মাসে সেল প্রেসার একটু বেশি থাকে এ্যাডজাস্টমেন্ট এর জন্য ।যার কারনে তাদের ব্যালেন্স শীট এ্যাডজাস্ট করার জন্য শেয়ার সেল করতে হয় । যার জন্য বাজারে প্রচুর সেল প্রেসার থাকে। বাজার কিছুটা কারেকশান/স্লো হয়ে থাকে ।