গতকালকের ক্লাসে ২৮৩২ কোটি ভলিউমের পর বাজারের মোটিভ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছিল। তখন যারা সেল করেছে তাদের কমে কেনার চেষ্টা থাকবে এটাও বলা হয়েছে। গতকালের বিশ্লেষণের সাথে আজকের মার্কেটেই অনেকগুলো বিষয়ের মিল দেখা গেল। বাজার/সূচকের উঠা নামা/সেক্টরাল মুভমেন্ট ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করেই সেল বাই সিদ্ধান্ত নেয়া উচিৎ।
যে শেয়ার সামান্যই বেড়েছে, আবার এত কমে পাবো প্রত্যাশিতই ছিলনা অথচ পেয়ে যাচ্ছেন, সেখানেই সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে।
সূচকের সর্বোচ্চ অবস্থান, সেক্টরাল মুভমেন্ট, হোল্ডিং শেয়ারের মুভমেন্ট এবং ভলিউল দেখে বুঝে শুনে প্রফিট টেকিং সিদ্ধান্ত নিবেন। সূচকের বড় উত্থানে ভালো প্রাইসে কিছু লাভ নিতে পারলে সূচক স্লো হলেই সেটা আবার কমে কেনার সুযোগও আসে। কোন শেয়ারে আরোও বাড়ার যৌক্তিক প্রত্যাশা থাকলে সেটা নিয়ে অপেক্ষা করা যেতে পারে।
সূচক আশা করি পজেটিভ থাকতে পারে এরই মাঝে সাম্প্রতিক সময়ে বেশী বেড়ে যাওয়া শেয়ারে কারেকশন হতে পারে, সেক্টরাল মুভমেন্টে পরিবর্তন আসতে পারে।
সূচক বড় মাইনাসের দিকে যাচ্ছে, বাই করার ক্ষেত্রে একটু দেখে শুনে করাই ভালো, মাইনাস বাড়লে যে কোন শেয়ার আর একটু কমে পাওয়ার সুযোগ আসবে।
ভাই ডিভিডেন্ড ঘোষনার পরও এমএফ এ কোন মুভমেন্ট হলো না। রেকর্ড ডেট আসন্ন, পূর্বের ধারাবাহিকতায় রেকর্ড ডেটের পর আবার সবগুলো অতিরিক্ত ডিলুটেট হয়ে ফ্লোরে আটকে যাবার সম্ভাবনাও আছে। মার্কেট ভালো থাকলে আবার ঘুরে দাড়াবে, কিন্ত খানিকটা সময় নিলেই এখাতে যারা আটকে আছেন বড় সিষ্টেম লসে পড়ে যাবে।
কারোও হোল্ডিং এ থাকলে রেকর্ড ডেটের আগেই ভেবে চিন্তে বাস্তবতার নিরিখেই সিদ্ধান্ত নেয়া উচিৎ।
সর্বশেষে বার্তা হলো নির্বাচিত এবং হাইলাইটেড যে সকল শেয়ার এখনো ফ্লোর বা ফ্লোর থেকে ১/২% বৃদ্ধি হয়েছে, ভলিউম হচ্ছে সেগুলোই কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং নিরাপদ হবে। একটু সময় নিলেও প্রত্যাশিত রিটার্ন পাওয়া যাবে ইনশাল্লাহ।
সাম্প্রতিক টেক্সটাইল সেক্টর ভালো বাড়ার কারণে এই সেক্টরে নতুন এন্ট্রির ক্ষেত্রে সেক্টরাল মুভমেন্ট দেখে ফ্লোরের কাছাকাছি হলেও দুইদিন পরে এন্ট্রি করাটাই যৌক্তিক হবে কিনা সেটা বুঝে শুনেই সিদ্ধান্ত নেয়া উচিৎ।
জুন ক্লোজিং শেয়ারে নতুন এন্ট্রির ক্ষেত্রে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে, যেগুলো ইতিমধ্যে বেশ বেড়ে গেছে, ডিভিডেন্ড যা আসতে পারে সে তুলনায় বর্তমান দাম স্বাভাবিক না অস্বাভাবিক? কিছু শেয়ারে ডিভিডেন্ড এর তারিখ ঘোষনা আসছে, এমন হোল্ডিং শেয়ার যদি সাম্প্রতিক সময়ে ভালো বেড়ে থাকে সেগুলো থেকে ডিভিডেন্ড ঘোষনার আগেই আপট্রেন্ডে থাকা অবস্থায় প্রফিট টেক করে নির্বাচিত ডিসেম্বর ক্লোজিং যেগুলো ফ্লোর বা ফ্লোরের কাছাকাছি প্রাইসে ট্রেড হচ্ছে সেগুলোতে সুইচ করে পোর্টফোলিও কে নিরাপদ রাখা যাতে পারে।
পূর্বের অভিজ্ঞতা বলে, ডিভিডেন্ড মৌসুমে ডিভিডেন্ড যত ভালোই আসুক সে অনুযায়ী শেয়ারের মুভমেন্টে দেখা যায় না। আর আগেই যদি ভালো বেড়ে থাকে এবং ডিভিডেন্ডে প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা না গেলে সেক্ষেত্রে উল্টো চিত্রও দেখা যায়। তাই জুন ক্লোজিং এ নতুন এন্ট্রির ক্ষেত্রে এই সতর্কতা মাথায় রাখা উচিৎ।
মার্কেট এই সপ্তাহ বিশেষ করে আরও ২/১ দিন এমন স্লো থাকতে পারে। টার্গেটেড শেয়ার আর একটু কমেও পাওয়া যেতে পারে।
কারেকশন মার্কেটে এগ্রেসিভ বাই এপ্লিকেবল না, নীচে বাই দিয়েই টার্গেটেড শেয়ার অনেক কমে পাওয়া যায়। সুচক এবং হোল্ডিং শেয়ারে নিম্নগামীতা অনুভব হলে কমার আগেই লাভের শেয়ার থেকে লাভ নেয়া উচিৎ।
২৮৩২ কোটি ভলিউমের পর বাজারের মোটিভ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছিল। তখন যারা সেল করেছে তাদের কমে কেনার চেষ্টা থাকবে এটাও বলা হয়েছে। গতকালের বিশ্লেষণের সাথে আজকের মার্কেটেই অনেকগুলো বিষয়ের মিল দেখা গেল। বাজার/সূচকের উঠা নামা/সেক্টরাল মুভমেন্ট ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করেই সেল বাই সিদ্ধান্ত নেয়া উচিৎ।
বিনয়োগে ঝুকি কমাতে উচ্চদামে লাভের শেয়ার সেল করে কারেকশন প্রাইসে বা সম্ভাবনাময় ফ্লোরের কাছাকাছি শেয়ারে অবস্থান নিয়ে পোর্টফোলিও কে সুরক্ষিত রেখে নতুন করে বড় লাভের পরিকল্পনা করা যেতে পারে। এতে একটু সময় নিলেও ঝুকি কম থাকবে।
মাসের শেষ সপ্তাহে মার্কেট স্লো থাকলে স্মল ক্যাপ সেই সাথে ইন্সুরেন্স মুভমেন্টে আসার সম্ভাবনা থাকবে।
স্মল ক্যাপ সকালের প্রাইস থেকে বেশ কমে ট্রেড হচ্ছে, মাইনাস বাড়লে শেষ দিকে আর একটু কমে পাওয়া যেতে পারে।
সূচক স্লো হলে ট্রেন্ডি এবং মার্কেট মুভার স্লো হবে ভলিউম কমবে। কিছু শেয়ার পজেটিভ ধারায় থাকলেও সূচকের সাথে প্রাইস আপ ডাউন থাকবে। সেক্ষেত্রে স্মল ক্যাপ এবং পড়ে থাকা সেক্টর/শেয়ারে মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে।
ফ্লোর থেকে বাড়তি দামের শেয়ার বাই ডিসিশনে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
ঘুরে ফিরেই আমার চোখে ভাসে এখন নিরাপদ বিনিয়োগ মানেই ফ্লোরে বা ফ্লোরের খুব কাছাকাছি প্রাইসের সম্ভাবনাময় ইন্সুরেন্স
আগামী সপ্তাহের মার্কেটে সেক্টরাল মুভমেন্টে পরিবর্তন আসতে পারে। সাম্প্রতিক যে সেক্টর/শেয়ারে বড় গেইন হয়েছে, অনেকেই সেসব শেয়ার থেকে ভালো প্রফিটও পেয়েছেন। জুন ক্লোজিং এর ডিভিডেন্ড আসন্ন, তাই যেসব সেক্টর/শেয়ারের দাম বেশ বেড়েছে স্বাভাবিক ভাবেই কারেকশন হতে পারে বা খানিকটা স্লো থাকতে পারে। কোন সেক্টর স্লো হলে সেইম সেক্টরের সব শেয়ারেই সেটার প্রভাব থাকে দুই একটা ব্যাতিক্রম বাদে। জুন ক্লোজিং শেয়ারে নতুন এন্ট্রির ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, বিশেষ করে লাষ্ট ইয়ার ডিভিডেন্ড এবং চলতি বছরের ইপিএস এ ডিভিডেন্ড সক্ষমতা বিবেচনায় রাখতে হবে। গত সপ্তাহেও সেইম ম্যাসেজ দেয়া ছিল।
আমাদের নির্বাচিত স্মল ক্যাপগুলো থেকে বেশ কয়েকিটিতে ইতিমধ্যে ভালো মুভমেন্ট হয়ে গেল, বাকীগুলোতেও মুভমেন্ট চলমান। বাড়া কমার মধ্য দিয়েই হাইলাইটেড কয়েকটি শেয়ার আরোও এগিয়ে যাওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। যেহেতু অনেকেরই হোল্ডিং আছে, নতুন করে এন্ট্রির ক্ষেত্রে বাড়তি দামে নয় শুধু কারেকশন প্রাইসে বা কমে পেলেই সুযোগ নেয়া যেতে পারে।
বাজারে ইতিমধ্যে অনেক শেয়ারেই বিশাল গেইম হয়ে গেলেও ইন্সুরেন্স সেক্টর দীর্ঘদিন ফ্লোরে বা ফ্লোরের কাছাকাছি ট্রেড হচ্ছে। যে কোন মুহুর্তে এই সেক্টরে মুভমেন্ট শুরু হতে পারে। একটু সময় নিলেও এই সেক্টরের ফ্লোরে বা ফ্লোরের কাছাকাছি সম্ভাবনাময়, হাইলাইটেড শেয়ারে বিনিয়োগে পুজি কমার সম্ভাবনা নাই। এই সেক্টরে উত্থান দেখা গেলে অন্য যে কোন সেক্টরের চেয়ে বেশী গেইন দেওয়ারও যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকবে।
বিনয়োগে ঝুকি কমাতে উচ্চদামে লাভের শেয়ার সেল করে কারেকশন প্রাইসে বা সম্ভাবনাময় ফ্লোরের কাছাকাছি শেয়ারে অবস্থান নিয়ে পোর্টফোলিও কে সুরক্ষিত রেখে নতুন করে লাভের পরিকল্পনা করার বিকল্প নাই।
বিডিকমমের পর কারবকশন প্রাইসে জেনেক্সিলের দিকে নজর দেয়া যেতে পারে। যাদের সুযোগ আছে কারেকশন প্রাইসে নির্বাচিত ফান্ডামেন্টাল স্মলক্যাপের দিকে নজর দিতে পারেন।
বেসিক ফান্ডামেন্টাল ট্রেইনিং এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী সূচকের বড় উত্থানের সাথে অস্বাভাবিক বড় ভলিউমের মার্কেটে বিগ সেলারদের প্রফিট টেক হয়। আজকের বাজারের বড় দুর্বলতা হলো সর্বোচ্চ ভলিউমের সাথে সূচকের ৮৪ পয়েন্টের বড় উত্থান শেষ পর্যন্ত সেল প্রেসারে ধরে রাখতে পারেনি, যা আগামীর বাজারে কারেকশনের ইংগিত বহন করে। বাজার উত্থানের ধারাবাহিকতায় হঠাৎ অস্বাভাবিক বিশাল ভলিউমের পরবর্তী সময়ের ইতিহাস ভালো না। তবে সেক্টরাল মুভমেন্ট পরিবর্তনের মাধ্যেম বাজার সাপোর্ট পেলে সূচকে তেমন কোন কারেকশন হওয়ার সম্ভাবনাও কম থাকবে।
বাজারে ইতিমধ্যে কয়েকটি সেক্টরের অনেক শেয়ার ভালো প্রফিট দিয়েছে। টানা উত্থানের পর কারেকশন হলে সেক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ে বেশী বেড়ে যাওয়া শেয়ারেই কারেকশনের সুযোগ থাকবে, পাশাপাশি দীর্ঘদিন স্থবির হয়ে পড়ে থাকা ফ্লোরে বা ফ্লোরের কাছাকাছি ভালো ভলিউম নিয়ে ট্রেড হচ্ছে এমন সম্ভাবনাময় শেয়ারে মুভমেন্ট দৃশ্যমান হওয়ারও সম্ভাবনা থাকবে। বাজারের ঠিক এই সময়ে বেড়ে যাওয়া যে কোন শেয়ারে বিনিয়োগে বা হোল্ডিং এ থাকলে বাজারের মুভমেন্ট পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ।
পুজিবাজারে উত্থানের পাশাপাশি কারেকশন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, এটাকে নেতিবাচকভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ নাই। আগামীর বাজার নিয়ে আমরা খুবই আশাবাদী। ভালো বাজার মানেই সবাই ভালো লাভ করতে পারেনা। ঝুঁকিপূর্ণ বাজারে পুজিকে সুরক্ষিত রেখে সফলতার দিকে এগিয়ে যেতে সবার মাঝেই প্রয়োজন বিনিয়োগ সচেনতা, বাজারের বাস্তবতার আলোকে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য চাই সময়োপযোগী বিনিয়োগ শিক্ষা। সবার জন্য শুভ কামনা।
জুন ক্লোজিং এর নির্বাচিত শেয়ারে ৩য় প্রান্তিকের ইপিএস, গত বছরের ডিভিডেন্ড এর ধারাবাহিকতায় এ বছর ডিভিডেন্ড কেমন আসতে পারে, বর্তমান দাম কেমন আছে ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় জুন ক্লোজিং শেয়ারে রিস্ক লেভেল খানিকটা চেঞ্জ করে দেয়া হয়েছে।
তবে শুধু এই আপডেটের উপর নির্ভর করে নয়, যে কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে মার্কেট মুভমেন্ট, সেক্টরাল মুভমেন্ট সব কিছু বিবেচনায় রেখে নিজে ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিবেন।
যে শেয়ারগুলো সাম্প্রতিক সময়ে খুব একটা বাড়ে নাই বা সামান্য বাড়লেও কারেকশন হয়ে এখন আবার দাম বাড়া বা আপট্রেন্ডে যাওয়ার অপেক্ষায় কিন্ত মার্কেট কারেকশনে সেগুলোও কিছুটা কমেই পাওয়া যাচ্ছে, এই কারেকশনেই সেগুলোতে এন্ট্রি করার সময়। সেক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে বলা যায় নির্বাচিত কিছু স্মল ক্যাপ, জুন ক্লোজিং সিরিয়ালে প্রথম সারির শেয়ারগুলো।
নির্বাচিত শেয়ারের তালিকা ছোট করতে কিছু শেয়ার সাম্প্রতিক সময়ে বেড়ে যাওয়ার জন্য বা সেইম সেক্টরে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে সেগুলো কে তালিকা থাকে সাময়িক কাট করা হয়, বর্তমান প্রাইসে নতুন করে এন্ট্রিকে নিরুৎসাহিত করা হয়, এর মানে এই নয় যে ঐ শেয়ারগুলো আর বাড়বে না। এমন হোল্ডিং যাদের আছে, যদি মনে করেন এগুলো আর কিছুদিন হোল্ড করলে আর একটু প্রফিট বেশী পাওয়া যাবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই হোল্ড করবেন পরবর্তী টার্গেট মিট করলে সেল প্ল্যান করবেন।
আমাদের প্রাইমারি সিলেকশনে থাকা মানেই সেই শেয়ার নিয়ে নেতিবাচক কোন বার্তা নেই। কোন স্টকের বিষয়ে নেতিবাচক কিছু মনে হলে সেটাও ব্যাখ্যা দিয়েই বাদ দেয়া হবে, জানিয়ে দেয়া হবে।
শর্টটার্মে ভালো প্রফিটও পেয়েছেন। যে কোন শেয়ারই আরোও বাড়তেই পারে কিন্তু রি-এন্ট্রির জন্য বর্তমান প্রাইসকেও খুব বেশী নিরাপদ মনে হয়নি, তাই উঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
শেয়ার বাজারে বিনিয়োগে ইমোশনকে কন্ট্রোল করতে হবে, পুজি নিরাপদ রেখে লাভের চিন্তা করতে হবে। আর সেক্ষেত্রে একটাই সহজ পদ্ধতি তা হলো সম্ভাবনাময় শেয়ারের দাম বাড়ার আগেই তলানীতে বাই করা, বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি বুঝে সেল প্ল্যান করা, এটাই বিরাপদ এবং লাভজনক বিনিয়োগের ফর্মূলা। বিনিয়োগ এমন প্রাইসে করতে হবে সেখান থেকে যেন কমার স্পেস কম থাকে। অনেক শেয়ার বাড়ছে কিন্ত আমারটা বাড়ছে না এই বলে তলানীতে সেল করে উর্ধমুখী, বাড়ন্ত শেয়ারে ঝাপিয়ে পড়া মানেই আগুনে ঝাপ দেয়া। এমন বাজে ঘটনার সাথে কম বেশী সবাই পরিচিত।
সাম্প্রতিক সময়ের বাজারে আমাদের নির্বাচিত বিভিন্ন সেক্টরের এবং স্মল ক্যাপের সকল শেয়ার থেকেই ভালো প্রফিট এসেছে। শুধুমাত্র একটি সেক্টর এখনো অনেক পিছিয়ে আছে, এখনো প্যানিক দেখা যাচ্ছে। সব শেয়ার বাড়ার পর যেগুলো বাড়ে নাই সেখানেই আগামীর সম্ভাবনাকে খুজতে হবে।
নির্বাচিত শেয়ারের ওয়াচলিষ্ট ট্রেইনিং পার্টিসিপ্যান্ট দের জন্য শেয়ার সিলেকশন এবং মার্কেট মুভমেন্ট বিবেচনায় বাই/সেল প্ল্যান তৈরী শিক্ষার একটি অংশমাত্র, এটা কারও জন্য বাই সেল নির্দেশনা নয়।
মার্কেটে কারেকশন হবে এটা হিসাবের কথা, এমনটাই হওয়ার কথা ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে অনেক শেয়ারের দাম অনেক বেড়েছে। মার্কেটে উত্থান পরবর্তী কারেকশনের পর্বগুলো কখন কিভবে হয় এর উপর ট্রেইনিং ক্লাসে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে। মার্কেট কারেকশনে যে হোল্ডিং শেয়ারের মার্কেট প্রাইস ফ্লোর প্রাইস থেকে যত বেশী সেটার রিস্ক তত বেশী, কিভাবে তাও বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
প্রফিটের শেয়ার থেকে সময় মত প্রফিট কেন নেয়া উচিৎ তাও দুইদিনের বাজার দেখে অনেকেই উপলব্ধি করতে পেরেছেন।
প্রশ্ন থাকতে পারে যেগুলো খুব সামান্যই বেড়েছে সেগুলো কেন কমে। কারেকশন শুরু হলে, সূচকের মাইনাস বড় হলে ওভারঅল প্যানিকে সব শেয়ারই কম বেশী কমে। নির্বাচিত কিছু শেয়ার মাত্র ফ্লোর থেকে ১০-১৫% বাড়ার পর সেগুলোও কমছে। যারা কারেকশনের পূর্বাভাস বুঝতে পেরে সামান্য প্রফিটটাও নিতে পারেন সেই শেয়ারটাই আবার ৫-৭% হলেও কমে কেনার সুযোগ তৈরী হয়, যা আজকের বাজারেও দেখা গেছে। তবে যারা এত ছোট প্রফিট নিতে অভ্যস্ত না, তাদের হতাশ হওয়ার কিছু নাই সেগুলোর মূল মুভমেন্ট বাকী আছে আবার উঠে যাবে।
কিছু শেয়ার ফ্লোর থেকে সামান্য বাড়ার পর মনে হয়েছে আর কমবে না, কমে পাওয়া যাবে না, কারেকশনের সময় আপ ডাউনে সেগুলোও আবার ফ্লোরের কাছে নেমে যাচ্ছে, ডিমান্ড কিন্ত ঠিক আছে, ভালো ভলিউমও হচ্ছে সেগুলো ধরে নিতে হবে কালেকশন হচ্ছে এবং সবার জন্যই সেটা বড় অপরচুনিটি। ভালো প্রত্যাশার শেয়ার যেটা বাড়ে নাই সেখানে প্যানিক দেখলে এবং সুযোগ থাকলে তা যথাযথ কাজে লাগাতে হয়। কারেকশনের পর মার্কেট মুভমেন্টে পরিবর্তন আসে, সেক্টরাল মুভমেন্ট চেঞ্জ হয়।
আশা করি তলানী থেকে উঠে আসতে বাকী যেগুলো আছে সবগুলোতেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা যাবে। যেহেতু সবার হোল্ডিং ফ্লোরের কাছাকাছিই থাকার কথা তাই ভয়ও কম। সময় একটু বেশী নিলেও অধৈর্য হওয়ার কিছু নাই, সম্ভাবনা দেখা দিবেই ইনশাল্লাহ।