সুইং ট্রেডিংয়ের হাই প্রোবাবিলিটি উইনিং রেশিও স্ট্রেটেজি :
সুইং ট্রেডিংয়ের ফান্ডামেন্টাল রুলস : এ রুলস গুলি স্ট্রং ভাবে ফলো করতে হবে সুইং ট্রেডিংয়ের জন্য ১. অবশ্যেই ইনডেক্স আপট্রেন্ডে থাকতে হবে ২. স্টক হাইয়ার হাই করে উপট্রেন্ডে থাকতে হবে ৩. যে স্টক ২০ সিম্পল মুভিং এভারেজের নিচে সেটি নেয়া যাবে না।
৪. কোয়ালিটি শেয়ার হতে হবে জাঙ্ক না
৫. স্টকটিতে ভলিউম থাকতে হবে ৬.
উইকলি টাইম ফ্রেমে বর্তমান দাম ২০ ডাব্লিউ এম এ
এর উপর হতে হবে ৭. বর্তমান প্রাইস ৫২ উইক এর কাছে বা অল টাইম হাই হতে হবে।
ফিল্টার কিভাবে করতে হবে: সিম্পল মুভিং এভারেজ এবং ডাব্লিউ এম এ।
কোন টাইম ফ্রেমে ব্যবহার করতে হবে: ডেইলি টাইম ফ্রেম
ট্রেডিংয়ের পিছনে লজিক কি :
কোথায় এন্টি নিতে হবে : এন্ট্রি কন্ডিশন বা এন্ট্রি দেবার শর্ত সমুহঃ ফান্ডামেন্টাল রুল হল শুধু মাত্র ব্রেকআউট এন্ট্রি। টাইম ফ্রেম হতে হবে ডেইলি।
কারেকশন হবার পরে কি প্যাটার্ন হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে ট্রেড করতে হবে।
প্রাইস অ্যাকশন কি রকম হতে হবে: অন্ধ ভাবে কিছু নেয়া যাবে না। কিছু প্যাটার্ন দেখে নিতে হবে যেমন : ১. কাপ এন্ড হ্যান্ডেল প্যাটার্ন
২. ফ্ল্যাগ প্যাটার্ন
৩. ট্রায়াঙ্গল প্যাটার্ন ৪.
ফ্লাট বেইজ সাইডওয়াজ ব্রেকআউট। এ ৪ প্রকার প্যাটার্ন ব্রেকআউট দেখে এন্ট্রি নিতে হবে। এ প্যাটার্ন গুলিতে একুমুলেশন হয়।
কেন আমাদেরকে একটি প্যাটার্নের জন্য অপেক্ষা করতে হবে: প্রাইস যখন স্ট্রং আপমুভে
যায় তখন ওভারবট হয়ে যায়। প্রাইস কে
তখন কারেকশন
হতে দিতে হবে।
কারেকশন হলে কি : সুবিধা হলো ১. স্টপ লস ক্লিয়ার ভাবে বুঝা যাবে। ২. সাপোর্ট লেভেল বুজা যাবে।
কখন এন্ট্রি নিব না : প্রাইস যখন মোমেন্টামে তখন এন্ট্রি কোন ভাবেই নেয়া যাবে না।
হোল্ড করবো কত দিন : হোল্ড করবো যত দিন মোমেন্টাম থাকবে।
কোথায় স্টপ লস নিতে হবে: প্যাটার্নের নিচের ক্যান্ডলে