একটি স্টক কিভাবে সিলেকশন করতে হয় বা ওয়াচলিস্টে রাখতে হয় :
ইনডেক্স আপট্রেন্ডে নাকি ডাউনট্রেন্ডে দেখতে হয়।
সেক্টর আপট্রেন্ডে নাকি ডাউনট্রেন্ডে দেখতে হয়।
সেক্টরকে সব সময় ইনডেক্সের সাথে কোরিলেট করতে হয়। যে সেক্টর ইনডেক্সের সাথে হারমনিক সে সেক্টর সিলেক্ট করতে হয়।
স্টক কে সব সময় সেক্টরের সাথে কোরিলেট করতে হয়। যে স্টক সেক্টরের সাথে হারমনিক সে স্টক ওয়াচ করতে হয়।
স্ট্রং মোমেন্টামের এবং যে স্টকে লিকুইডিটি বেশি সে স্টক ওয়াচ করতে হয়।
যে স্টকে লিকুইডিটি থাকে না সেটি মেনিপুলেটেড স্টক। স্টক মোমেন্টের জন্য জায়গা থাকতে হয়।
যে স্টক প্রাইস অল টাইম হাই প্রাইসের কাছাকাছি সে স্টক ওয়াচলিস্টে রাখতে হয়।
এন্ট্রি নেবার জন্য প্রাইস অ্যাকশন এর সাহায্য নিতে হয়। প্রাইস অ্যাকশন কি রকম হতে হবে: অন্ধ ভাবে কিছু নেয়া যাবে না। কিছু প্যাটার্ন দেখে নিতে হবে যেমন : ১. কাপ এন্ড হ্যান্ডেল প্যাটার্ন ২. ফ্ল্যাগ প্যাটার্ন ৩. ট্রায়াঙ্গল প্যাটার্ন ৪. ফ্লাট বেইজ সাইডওয়াজ ব্রেকআউট। এ ৪ প্রকার প্যাটার্ন ব্রেকআউট দেখে এন্ট্রি নিতে হবে। এ প্যাটার্ন গুলিতে একুমুলেশন বা রিএকুমুলেশন হয়।
হোল্ড করবো কত দিন : হোল্ড করবো যত দিন মোমেন্টাম থাকবে।
কোথায় স্টপ লস নিতে হবে: প্যাটার্নের নিচের ক্যান্ডলে
আমার স্টক সিলেকশনের সাথে অন্যের স্টক সিলেকশনের মিল নাও থাকতে পারে। আমরা সব সময় বলি "ট্রেন্ড ইজ ফ্রেন্ড"। আপট্রেন্ডের শেয়ার কিনতে হয়। কিন্তু শেয়ার কিনি ডাউনট্রেন্ড বা সাইডওয়েজের শেয়ার।
সতর্কতাঃ একটি কথা মনে রাখতে হবে এসব প্যাটার্ন আসলেই প্রাইস রিভার্স হয়ে যাবে বা প্রাইস বেড়ে যাবে এমন নাও হতে পারে। প্রাইস বাড়তেও পারে আবার কমতেও পারে। ট্রেডিংয়ে কোনো চার্ট এই ফারফেক্ট নয়। সব গুলি লজিক তো আর শতভাগ কাজ করবে না কিছু ব্যতিক্রম তো থাকে। এটা মেনে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। এ পোষ্টের শেয়ারের চার্ট উদাহরণ স্বরূপ বিবেচনা করা হয়েছে। এটিকে কেউ বাই /সেল হিসাবে নিবেন না।
ব্রেকআউট ট্রেডিং স্ট্রেটিজি:
প্রাইস যখন হরিজেন্টাল রেজিস্টেন্স
লাইন বা মেজর ট্রেন্ডলাইন বা কারেক্টিভ ট্রেন্ডলাইন
বা আগের দিনের ক্যান্ডল বা প্রাইস অ্যাকশন প্যাটার্ন (ফ্ল্যাগ, ট্রায়াঙ্গেল) কে অতিক্রম করে উপরের দিকে যায় তখন তাকে ব্রেকআউট বলে।
সঠিক ব্রেকআউট নির্ণয় করার জন্য প্রথমে সঠিকভাবে রেজিস্টেন্স বের করতে হয় l রেজিস্টেন্স হতে পারে হরিজেন্টাল লাইন , মেজর ট্রেন্ড লাইন , কারেক্টিভ ট্রেন্ড লাইন ইত্যাদি l রেজিস্টেন্স হচ্ছে যে লেভেল থেকে সবচেয়ে বেশিবার প্রাইস ফিরে এসেছে বা
প্রত্যাক্ষিত হয়ে এসেছে l অন্যভাবে বলা যায় জোন / এরিয়া থেকে প্রাইস বেশি বার রিজেকশন হয়েছে সেটি হলো রেজিস্ট্যান্স জোন l প্রাইস যখন সাপোর্ট লেভেল থেকে বাড়তে থাকে তখন তার আচরণ কি রকম হয় সেটা বুঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ l প্রাইস কি ব্রেকআউট হবে নাকি রেজিস্ট্যান্স থেকে ফিরে আসবে এটি বোঝার কিছু লক্ষণ আছে l
সফল
ব্রেকআউট হবার পাঁচটি লক্ষণ:
পাঁচটি লক্ষণ এর উপর ব্রেকআউট নির্ভর করে l পাঁচটি লক্ষণ যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করতে হবে পরবর্তীতে কী ঘটতে যাচ্ছে l লক্ষণ গুলি হল : ১. ট্রেন্ড: একটি স্ট্রং আপট্রেন্ড
থাকতে হবে ২. প্রাইস মুভমেন্টের স্ট্রেংথ বা ক্যান্ডেল গুলি
বড় বড় হওয়া ৩. ভলিউম ক্রমাগত বৃদ্বি পাওয়া
৪. সময়: দ্রুত সময়ে রেজিস্ট্যান্স লেভেলে পার করা ৫ . কোয়ালিটি অফ জুন: রেজিস্টেন্স লাইন তিন বার হিট হলে
ব্রেকআউট হবার সম্বাবনা বেশি l
রেজিস্টেন্স লেভেলে প্রাইস ভলিউম বাড়তেছে এটি হলে ব্রেকআউট হবার সম্ভাবনা প্রবল l একটি ইউনিভার্সেল রুল হল যখন প্রাইস কোন একটি রেসিসটেন্স লেভেল কে তিনবার হিট করে তখন সেটি একটি সাকসেসফুল ব্রেকআউট দেয় l
রেজিস্টেন্স লেভেলে গিয়ে প্রাইস নিচের পাঁচটি আচরণ করে l
রেজিস্টেন্স লেভেলে এই পাঁচটি প্রাইস অ্যাকশনকে ভালোভাবে জানতে হবেl প্রাইস যখন রেজিস্টেন্স লেভেল থাকবে তখন এই পাঁচটি আচরণের মধ্যে যেকোনো একটি হবে l প্রথম তিনটি সফল ব্রেকআউট এর মধ্যে পড়ে l
১. পুশ থ্রু : প্রাইস সরাসরি ব্রেকআউট দিয়ে উপরে চলে যেতে পারে
একে পুশ থ্রু বলে l
২. রিভার্সেল রিজেকশন রিভার্সেল: রেজিস্ট্যান্স এর পাশে প্রাইস ঘুরাঘুরি করে একটি ব্রিজ তৈরি করবে বা সাময়িক সাইডওয়েজ এ গিয়ে তারপর ব্রেকআউট
হবে l
৩. ব্রেকআউট টেস্ট : প্রাইস রেজিস্টেন্স লাইন থেকে
হালকা নিচে আসবে এরপর আবার ব্রেকআউট করে উপরে চলে যাবে l
৪. ফেক আউট : প্রাইস ব্রেকআউট দিবে তারপর
সেল প্রেসার পেয়ে নিচে চলে আসবে l
৫.
বাউন্স:
প্রাইস
রেজিস্টেন্স লাইন টাচ করে নিচের দিকে নেমে আসবে l
ব্রেকআউট এন্ট্রি কোথায় নিব:
১. এগ্রেসিভ বায়ার হলে ব্রেকআউট
হবার আগে ২ . ব্রেকআউট লেভেলে ৩. ব্রেকআউট হবার পরে রিটেস্ট হয়ে প্রাইস সাপোর্ট লেভেল আসলে এন্ট্রি নিতে হবে ৪. ব্রেকআউট টেস্ট না দিলে ব্রেকআউট এর উপর ব্রেকআউট এন্ট্রি নিতে হবে ।
ব্রেকআউট কনফার্মেশন:
ব্রেকআউট কনফার্ম হওয়ার জন্য প্রাইস শার্প ভাবে উপরের দিকে যাওয়া জরুরী। প্রাইস কোনরকম রিজেকশন দিয়ে রেজিস্টেন্স লাইনের নিচে ক্লোজ দিতে পারবে না। রেজিস্ট্যান্স লাইন থেকে যদি নিচে নেমে ক্লোজ হয় তাহলে সেটা ব্রেকআউট সাকসেসফুল হবে না।
ট্রেন্ড:
ট্রেন্ড অফ ট্রেন্ড হতে হবে আপনি সবসময় রেজিস্ট্যান্স ব্রেকআউট হয় একটি ক্লিয়ার আপ ট্রেন হতে হবে
2 স্ট্রেঙ্থ অফ মুভ
3 কোয়ালিটি অফ জন
রেজিস্টেন্স লেভেলে প্রাইস যখন প্রথমবার যায় তখন রিভার্স হয় ফিরে আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে l ব্রেকআউট স্ট্রেন্থ অত শক্তিশালী থাকেনা যখন একটি সাপ্লাই জোন ফিট হয়ে যায় তখন প্রাইস সেই সাপ্লাই জোন থেকে প্রথম বার ফিরে আসে দ্বিতীয় বারও ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকে কিন্তু তৃতীয়বার সেটি সাকসেসফুল
ব্রেকআউট
হয় l
একটি ইউনিভার্সেল রোল হল যখন প্রাইস কোন একটি রেসিসটেন্স লেভেল কে তিনবার হিট করে তখন সেটি একটি সাকসেসফুল ব্রেকআউট দেয় l এটির পিছনে যুক্তি হল প্রথম রেজিস্ট্যান্স লাইনে যার 1000 শেয়ার আছে সে 500 বিক্রি করে দিচ্ছে দ্বিতীয়বার রেজিস্ট্যান্স লাইনে তার বাকি 300 বিক্রি করে দেয় তৃতীয়বার তার হাতে বিক্রি করার জন্য
শেয়ার থাকেনা ট্রাইঅ্যাঙ্গেল
প্যাটার্নের ব্রেকআউট এটাই লজিক
4 রেজিস্টেন্স লেভেলে সময় অতিবাহিত হওয়া এটার মানে কি
যদি রেসিসটেন্স লেভেল স্ট্রং হয় তাহলে প্রাইস রেজিস্ট্যান্স থেকে ফিরে আসবে আবার যদি স্ট্রং বায়ার হয় তাহলে প্রাইস ব্রেকআউট দিয়ে উপরে চলে যাবে এখানে অল্প সময় ভিতরে চলে যাবে কোন সময় অতিবাহিত করবে না এই ব্রেকআপের সময় ক্যান্ডেল বড় বড় হবে
প্রাইস এন্ড রেজিস্টেন্স লেভেলে গিয়ে যদি আশেপাশে বেশি সময় নিয়ে ঘুরে তাহলে প্রাইস কোন দিকে যায় সেদিকে দেখতে হবে কারণ তখন দুইটা ঘটনা ঘটতে পারে হয় নিচে আসবে আর না হলে ব্রেকআউট দিয়ে উপরে চলে যাবে এ সময় অবজার্ভ করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ সময় টাইম ভলিয়ম এবং প্রাইস লোকেশন 3 জিনিস খুব সূক্ষ্মভাবে দেখতে হবে
যদি লো ভলিয়মে এবং দীর্ঘ সময় নিয়ে প্রাইস যদি রেজিস্ট্যান্স এর কাছে ঘুরাঘুরি করে তাহলে ব্রেকআউট দেওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বা প্রবল এর মানে হল প্রাইস এলেবেলে একুমুলেট হচ্ছে যেকোনো সময় প্রাইস উপরে চলে যাবে
রেজিস্টেন্স লেভেলে কি প্রাইস অ্যাকশন হতে পারে ব্রেকআউট দেবার জন্য
প্রাইস রেজিস্টেন্স হালকা রিট্রেসমেন্ট হয়েছে কিন্তু ওয়েবের ফিফটি 5 শতাংশের বেশি হতে পারবে না রিপ্লেসমেন্ট ফিফটি পার্সেন্ট এর উপরে থাকতে হবে টাইট রেঞ্জের ভিতরে প্রাইস থাকতে
হবে ছোট ছোট ক্যান্ডেল এবং ভলিয়ম খুবই কম হবে এটিকে একটি অবজারভেশন প্যাটার্ন বলে ট্রাইঅ্যাঙ্গেল এবং
ফ্ল্যাগ প্যাটার্ন এটার সবচেয়ে বড় উদাহরণ
সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স এর কাছে ভলিউম আমাকে কিভাবে এনালাইসিস করব:
প্রাইস রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে যাচ্ছে মানে প্রাইস বাড়তেছে এবং ভলিয়ম কমে যাচ্ছে এটা মানে হচ্ছে ডাইভারজেন্স। ডাইভারজেন্স হলে ব্রেকআউট দেওয়ার চান্স কম। রেজিস্টেন্স লাইন বা রেজিস্ট্যান্স এর উপরে সেলার সব সময় বসে থাকে ওই সেলার কে ব্রেকআউট দিয়ে যেতে হলে বায়ারকে অবশ্যই শক্তিশালী হতে হবে। তাহলে বায়ারের স্ট্রেন্থ কোথায় দেখতে পাবো অবশ্যই ভলিয়মে এর মানে বায়ার দুর্বল সেলার অপেক্ষা এই পরিস্থিতিতে ব্রেকআউট হবার প্রশ্নই আসে না
রেজিস্টেন্স লেভেলে প্রাইস ভলিউম বাড়তেছে এটি হলে ব্রেকআউট হবার সম্ভাবনা প্রবল
ব্রেকআউট দেবার জন্য ভলিয়ামের একটি সিম্পল ফান্ডামেন্টাল হল আগের রেজিস্টেন্স লেভেলের ভলিয়ম এরচেয়ে বর্তমান ব্রেকআউট লেভেলের ভলিয়ম তার সমান বা বেশি হতে হবে
রেসিসটেন্স লেভেল এ হঠাৎ গ্রীন ভলিউম বেশি হওয়া মানে সেলার একটিভ হয়ে গেছে প্রাইস নিচে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি
সাপোর্ট লেভেলে হঠাৎ রেড ভলিউম অনেক বেশি চলে আসে তার মানে হল বায়ার একটিভ হয়ে গেছে প্রাইস উপরে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি
প্রাইস বাড়তেছে এবং গ্রেজুয়ালি ভলিয়ম বাড়তেছে এটা হলে বুঝতে হবে যে ইউর ব্রেকআউট হবে
ব্রেকআউট এর পজিশন কোথায় নিতে হবে
ব্রেকআউট এর তিন জায়গায় এন্ট্রি নিতে হয়
১ যদি সব কন্ডিশন মিলে যায় তাহলে ব্রেকআপ হবার আগে এন্ট্রি নিয়ে নিন
2 যদি কন্ডিশন ঠিক মনে না হয় তাহলে ব্রেকআউট হবার পরে
রিটেস্ট হয়ে সাপোর্ট লেভেল আসলে এন্ট্রি নিতে হবে
3 ব্রেকআউট টেস্ট না দিলে ব্রেকআউট এর উপর ব্রেকআউট এন্ট্রি নিতে হবে
জেনুইন ব্রেকআউট এবং ফলস ব্রেকআউট এর পার্থক্য
প্রাইসের মুভমেন্টের স্ট্রেন্থ: বায়ারের স্ট্রেন্থ যদি সেলারের স্ট্রেন্থ অপেক্ষা দুর্বল হয় তাহলে ব্রেক আউট হওয়ার সম্ভাবনা কম । আপ ট্রেন এ যাওয়ার সময় সেলারের শক্তির থেকে বায়ারের শক্তি বেশি হতে হবে
প্রাইস কত সময় নিয়ে মভ করে কত সময় নিয়ে প্রাইস সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স আছে লোটাইম হাই টাইম
ব্রেকআউট ক্যানডেলটি কি
ফ্ল্যাগ,
পিনাট
ট্রায়াঙ্গেল
হ্যামার
পিনবার
ফ্ল্যাট প্যাটার্ন
ফর্মেশন হলে প্যাটার্ন ব্রেকআউট এর উপরে পিনবার অথবা এঙ্গুলফিং ক্যান্ডেলস্টিক ক্লোজ হলে সে ক্যান্ডেল বা তার উপরের ক্যান্ডেল এন্টি দিতে হবে
ব্রেকআউট ক্যান্ডেল স্ট্রং হতে হবে ওই ক্যান্ডেল কোন প্রকার রিজেকশন থাকতে পারবে না বাড়ি থাকতে পারবে না বা কোন সাইডে থাকতে পারবে না
ব্রেকআউট কনফার্মেশন
ব্রেকআউট কনফার্ম হওয়ার জন্য প্রাইস উপরের দিকে যাওয়া জরুরী প্রাইস একশন ফলো থ্রু হতে হবে আপ হতে হবে কোনরকম রিজেকশন দিয়ে নিচে নামতে পারবে না রেজিস্ট্যান্স লাইন থেকে যদি নিচে নেমে যায় তাহলে ব্রেকআউট সাকসেসফুল হবে না
ব্রেকআউট টেস্ট কেমন হতে হবে ক্রয় করার জন্য
ব্রেকআউট টেস্টে তিন ধরনের বাই হয়ে থাকে ব্রেকআউট টেস্ট
লেভেল সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করে ব্রেকআউট টেস্ট করার সময় ভোলিয়াম লো হতে হবে
ব্রেকআউট টেস্টে প্রাইস কখনো টেস্ট লেভেল এর নিচে ক্লোজ হতে পারবে না নিচে আসলে তা আর সকল ব্রেকআউট হিসেবে বিবেচনা করা হবে না
ব্রেকআউট এর সময় ওই স্টকের সেক্টর কি মুভি আছে কিনা সেটা বিশেষভাবে বিবেচনা করতে হবে সেক্টর যদি ডাউন থাকে তাহলে ব্রেকআউট হওয়ার সম্ভাবনা কম