একটি স্টকে এন্ট্রি দেবার আগে চার্টে যে বিষয় বিবেচনা করতে হবে:
স্টকের অবস্থান: একুমুলেশন / মার্কআপ / ডিস্ট্রিবিউশন / মার্কডাউন
ট্রেন্ড : আপট্রেন্ড / ডাউনট্রেন্ড / সাইডওয়েজ
ট্রেন্ড স্ট্রেংথ : স্ট্রং / উইক
সুইং স্ট্রেংথ :স্ট্রং / উইক
প্যাটার্ন : যত বেশি জানা যায়
প্রাইস মুভমেন্ট: আপ / ডাউন
প্রাইস মোমেন্টাম : ফাস্ট / স্লো , বাড়তেছে / কমতেছে
প্রাইস লোকেশন : সাপোর্টের কাছে / রেজিস্ট্যান্সের কাছে / সাপোর্ট আর রেজিস্ট্যান্সের মাঝে
ভলিউম : বাড়তেছে / কমতেছে
বাই ভলিউম : স্ট্রং / উইক , বড় / মাঝারি/ছোট
সেল ভলিউম : স্ট্রং / উইক , বড় / মাঝারি/ছোট
স্ট্রং পয়েন্ট : ১. ট্রেন্ড লাইন ব্রেকআউট , ট্রেন্ড চেঞ্জ করার চেষ্টা করছে
উইক পয়েন্ট : ১. প্রাইস কমতেছে ২. সেল ভলিউম আগের দিনের চেয়ে বাড়ছে
সাপোর্ট কেন্ডেল: এংগাল্ফিং , রিজেকশন, মনিং ষ্টার, ডোজি, হারামি
কনফারমেশন কেন্ডেল : কনফারমেশন কেন্ডেল সাপোর্ট কেন্ডেলের উপর ক্লোজ হতে হবে।
সাপোর্ট ফর্মেশন : হয়েছে / হয় নাই
রেজিস্ট্যান্স ফর্মেশন : হয়েছে / হয় নাই
রিস্ক : রিস্ক হতে পারে কত পার্সেন্ট
প্রফিট : প্রফিট হতে পারে কত পার্সেন্ট।
স্টপ লস : সাপোর্ট কেন্ডেলের নিচে
এন্ট্রি দিব : হাঁ / না , সাপোর্টে আসার জন্য অপেক্ষা করব / ব্রেকআউট এর জন্য অপেক্ষা করব ।