Monday, June 13, 2022

পুলব্যাক দুই প্রকার : ১. টাইম কারেকশন: ২. প্রাইস কারেকশন :

 পুলব্যাক দুই প্রকার :  ১. টাইম কারেকশন: ২. প্রাইস কারেকশন :

১. টাইম কারেকশন: স্ট্রং আপট্রেন্ড এর মানে হচ্ছে টাইম কারেকশন। টাইম কারেকশন প্রাইস উপরের দিকে যাবার সম্বাবনা বেশি।  ২. প্রাইস কারেকশন : ট্রেন্ড স্ট্রং না হলে প্রাইস কারেকশন হয়।  প্রাইস কারেকশন হলে ট্রেন্ড দুর্বল হয়ে যায়।  প্রাইস ওভারবট পর্যায়ে চলে গেলে প্রাইস কারেকশন হয়।  

আপট্রেন্ড: হাইয়ার হাই এর মানে হচ্ছে আপট্রেন্ড।  আপট্রেন্ড ৪ প্রকার ১. স্ট্রং আপট্রেন্ড ২. হেলদি আপট্রেন্ড ৩. উইক আপট্রেন্ড  ৪. রেঞ্জ আপট্রেন্ড। 

১. স্ট্রং আপট্রেন্ড: স্ট্রং আপট্রেন্ড এর মানে হচ্ছে টাইম কারেকশন। একে ফ্লাট পুলব্যাক ও বলা হয়। ফ্লাট পুলব্যাক মানে হচ্ছে প্রাইস রেঞ্জ হবে বা কনসোলিড করবে নেরো ক্যান্ডলে। ক্যান্ডল টাইপ ডোজি , ছোট ছোট স্পিনিং টপ। ফ্লাট পুলব্যাক   স্ট্রং আপট্রেন্ড এ হয়।  স্ট্রং আপট্রেন্ড এ প্রাইস বাড়ার নিয়ম হচ্ছে আপ -ফ্লাট পুলব্যাক- ব্রেকআউট -আপ। ফ্লাট পুলব্যাক এ ব্রেকআউট হলে তারপর এন্টি দিতে হয়।  



প্রাইস কারেকশন ৩ প্রকার  : ট্রেন্ড স্ট্রং না হলে প্রাইস কারেকশন হয়।  

১. হেলদি আপট্রেন্ড ২. উইক আপট্রেন্ড  ৩. রেঞ্জ আপট্রেন্ড 

১. হেলদি আপট্রেন্ড: হেলদি আপট্রেন্ড মানে হচ্ছে প্রাইস উপরে যাচ্ছে।  হাইকে ব্রেকআউট দিবে। আবার যখন প্রাইস কমে বা রিট্রেস হয় তখন আগের হাইয়ার হাই  সাপোর্ট পর্যন্ত প্রাইস নেমে আসে। এবং আগের হাইয়ার হাই  সাপোর্ট  লেভেল থেকে রিজেকশান নিয়ে প্রাইস উপর চলে যাবে। প্রাইস আগের হাইয়ের নিচে ক্লোজ হবে না বা দিবে না। এ ধরনের ট্রেন্ডকে হেলদি আপট্রেন্ড বলা হয়।  আগের রেজিস্ট্যান্স এখন সাপোর্ট হিসাবে কাজ করবে। এ ধরনের পুলব্যাক এ সাপোর্ট লেভেলে রিজেকশন ক্যান্ডলে এ এন্টি নিতে হয়। অন্য কনো কনফারমেশন এর আর  প্রয়োজন নাই।  কারণ এখানে প্রাইস অ্যাকশন রিজেকশন ক্যান্ডল এবং সাপোর্ট লেভেল দুটিই এন্টি পয়েন্ট। হেলদি আপট্রেন্ড এ প্রাইস বাড়ার নিয়ম হচ্ছে রেলি -বেজ -রেলি। বেজ এর মানে হল সাপোর্ট লেভেল বা জোন। 

২. উইক আপট্রেন্ড বা ডিপ রিট্রেসমেন্ট : 

প্রাইস আপট্রেন্ডে যাচ্ছে যখন প্রাইস নিচে নামছে তখন হাইয়ার হাই  সাপোর্ট ভেঙ্গে কিছু নিচে নেমে যায় তখন প্রাইস এর নিচে নামাকে ডিপ রিট্রেসমেন্ট বলে। এর মানে হচ্ছে এ ট্রেন্ড হেলদি ট্রেন্ড থেকে উইক। এ ধরনের  রিট্রেসমেন্ট এ প্রাইস কে হাইয়ার লো পর্যন্ত আসার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।  প্রাইস যখন হাইয়ার লো পয়েন্টে চলে আসবে এবং নিচে ডাবল বটম হবে তখন হাইয়ার লো পয়েন্টে এন্ট্রি দিতে হবে। ডিপ রিট্রেসমেন্ট এ প্রথম বটমে এন্ট্রি দেয়া উচিত  না। রিটেস্ট এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে এবং ডাব্লিও প্যাটার্ণ বা ডাবল বটম হলে কনফার্ম এন্ট্রি দিতে হবে।  উইক আপট্রেন্ড এ এন্ট্রি নেবার জন্য প্রাইস একশনের সেকেন্ড কনফার্মেশন এর  দরকার হয় এ জন্য ডাবল বটম এ এন্ট্রি নিতে হয়। 

উইক আপট্রেন্ড: প্রাইস ব্রেকআউট হয়ে নিচে নেমে আসে এ ধরণের ট্রেন্ড কে উইক আপট্রেন্ড বলে। বিয়ারিশ প্রেসার জোন এক ধরণের উইক ট্রেন্ড। বিয়ারিশ প্রেসার জোনে ফরমেশন মানে হল উপর থেকে প্রাইস রিজেকশন। বিয়ারিশ প্রেসার জোনে ফরমেশন মানে হল উপর থেকে প্রাইস রিজেকশন হওয়া বা উপর থেকে সেল প্রেসার ক্যান্ডল তৈরী হওয়া।   


৩. রেঞ্জ : প্রাইস উপরে চলে যায় আবার নিচে চলে আসে একে রেঞ্জ বলে। ছোট রেঞ্জ এ ট্রেড এভোয়েড করতে হবে। বড় রেঞ্জ হলে বাই লো সেল হাই। 


কোন ধরনের পুলব্যাক কে এভয়েড করতে হবে :

১. উইক আপট্রেন্ড এ প্রথম বটমে এন্ট্রি না নেয়া। 

২. উইক আপট্রেন্ড এ ডাবল বটমে ভলিউমের কনফার্মেশন ছাড়া এন্ট্রি না নেয়া। 

৩. উইক আপট্রেন্ড কে এভোয়েড করা উচিত।  কারণ এ ধরণের ট্রেন্ড সামনে গিয়ে ট্রেন্ড চেঞ্জ হয়ে যায়।  

৪.  উইক ট্রেন্ডে এন্ট্রি নেয়া রিস্ক। 

৫. ছোট রেঞ্জ এ ট্রেড এভোয়েড করতে হবে।