পুলব্যাক না রিভার্সাল কিভাবে বুঝব :
১. ট্রেন্ড স্ট্রং না উইক সেটা বের করা।
২. প্রাইস রিট্রেস করার আগে কেমন সময় নিচ্ছে।
৩. রিট্রেসমেন্ট করার সময় ক্যান্ডেল সাইজ কেমন।
৪. রিট্রেসমেন্টের সময় ভলিউম কেমন।
৫. প্রাইস এর লোকেশন কোথায় তা জানা
৬. রিলেটিভ ইনডেক্স
১. ট্রেন্ড স্ট্রং না উইক সেটা বের করা :
প্রথমে ট্রেন্ড ইডেন্টিফাই করতে হবে ট্রেন্ড স্ট্রং না উইক। সব সময় স্ট্রং ট্রেন্ডের সাথে থাকতে হবে। পুলব্যাক শুরুর আগে ট্রেন্ড কেমন ছিল ট্রেন্ড স্ট্রং না উইক।
ট্রেন্ড স্ট্রং হলে রিভার্সেল হবে না। পুলব্যাক বা ডিপ পুলব্যাক হতে পারে। ট্রেন্ড উইক হলে রিভার্সেল হবে পুলব্যাক হবে না। ট্রেন্ড স্ট্রং হলে পুলব্যাক আর উইক হলে রিভার্সেল। সাপোর্টে উইক ট্রেন্ড হলে প্রাইস রিভার্সেল হয়ে উপরের দিকে যাবে। রেজিস্ট্যান্স লেভেলে উইক ট্রেন্ড হলে প্রাইস রিভার্সেল হয়ে নিচের দিকে যাবে। প্রাইস যখন ক্লাইম্যাক্স মুভ দিবে তখন আমরা বুজতে পারব যে রিভার্সেল হবে বা রেঞ্জে যাবে। প্রাইস ডিপ পুলব্যাক ও হতে পারে। রিসেন্ট প্রাইস এর বড় মোমেন্টাম দেখা যাবে না। ৯০ ডিগ্রি এঙ্গেলে যখন প্রাইস মুভি দেয় তখন বুঝে নিতে হবে এটি ক্লাইম্যাক্স মুভ। ক্লাইম্যাক্স মুভের পরে প্রাইস রিভার্সেল হয় বা রেঞ্জে চলে যায়।
২. প্রাইস রিট্রেস করার আগে কেমন সময় নিচ্ছে
প্রাইস রিট্রেস করার জন্য সময় কি বেশি নিচ্ছে না কম নিচ্ছে। প্রাইস কমার আগে বা ডাউন হবার আগে কয়টা ক্যান্ডল নিয়ে রেঞ্জ হয়েছে। বেশি ক্যান্ডল নিয়ে রেঞ্জ হয়ে যদি প্রাইস রেঞ্জ ব্র্যাকডাউন হয়ে নিচে নেমে যায় তা হলে বুজতে হবে রিভার্সেল হবে বা ডিপ কারেকশন এ যাবে।
সাপোর্ট ভেঙ্গে প্রাইস সময় নিচ্ছে কিন্তু প্রাইস আর নিচে নামছে না। এর মানে হচ্ছে প্রাইস রিভার্সেল হবে। ডাউন থেকে প্রাইস আপের দিকে যাবে। প্রাইস দীর্ঘ্য সময় নিয়ে উপরে বা নিচে রিট্রেস হলে বুজতে হবে রিভার্সেল বা ডিপ পুল ব্যাক।
রিভার্সেল হবে বা ডিপ কারেকশন = উইক ট্রেন্ড + লং রেঞ্জ বা ফ্লাট পুলব্যাক + রেঞ্জ ব্র্যাকডাউন হবে বড় ক্যান্ডল হয়ে সাথে থাকবে বড় ভলিউম।
রিভার্সেল = উইক ট্রেন্ড + লং টাইম রিট্রেসমেন্ট
৩. রিট্রেসমেন্ট করার সময় ক্যান্ডেল সাইজ কেমন:
প্রাইস উপরে যাবার পরে যেখান থেকে রিট্রেস হওয়া শুরু হয়েছে। সে পয়েন্ট থেকে কেন্ডেলের সাইজ কি রকম বড় , মাঝারি নাকি ছোট। যদি রেঞ্জের পর রেঞ্জ ব্রেকআউট হবার সময় কেন্ডেল বড় বা ওয়াইড রেঞ্জের হয় যেমন হ্যাঙ্গিং ম্যান বা ইনভার্টেড হেমার তা হলে বুজতে হবে রিভার্সেল বা ডিপ পুলব্যাক।
এগ্রেসিভ সেলিং ও এক ধরণের রিভার্সেল। হঠাৎ নিচে বড় কেন্ডেল আসলে বুজতে হবে সাপোর্ট তৈরী হচ্ছে। প্রাইস রিটেস্ট করার জন্য বড় কেন্ডেলের লো লেভেলে আসবে। তারপর রিভার্সেল হয়ে উপরে যাবে। নিচে বড় কেন্ডেল মানে হল সাপোর্টিং ক্যান্ডল।
৪. রিট্রেসমেন্টের সময় ভলিউম কেমন
প্রাইস যখন রিট্রেস করছে তখন প্রাইস কি হাই ভলিউম নামতেছে না লো ভলিউমে নামতেছে। হাই ভলিউমে উপরে রেড কেন্ডেল হলে রেজিস্ট্যান্স ফর্মেশন হয় , সে ক্ষেত্রে প্রাইস রিভার্সেল হয়ে ডাউনে আসবে। হাই ভলিউমে নিচে গ্রীন কেন্ডেল হলে সাপোর্ট ফর্মেশন হয় , সে ক্ষেত্রে প্রাইস রিভার্সেল হয়ে আপে যাবে। ডাউনট্রেন্ডের সময় রেড কেন্ডেল কে স্টাডি করতে হয়।
রেড কেন্ডেলের উপরে প্রাইস ক্লোজ দিয়েছে নাকি দেয় নাই। ডাউনট্রেন্ডে হাই ভলিউম হয়েছে কিন্তু প্রাইস আগের দিনের রেড কেন্ডেলের উপর ক্লোজ দেয় নাই। এর মানে হচ্ছে সাপোর্ট কেন্ডেল হয় নাই। নিচে হয় ভলিউমে গ্রীন কেন্ডেল এর মানে হচ্ছে স্মার্ট মানি বাই করছে। প্রাইস রিভার্সেল হবে।
ভলিউম সিক্রেট : যেখানে হাই ভলিউমে স্পাইক আসবে সেখান থেকে প্রাইস যে দিকে ব্রেকআউট দিবে পরবর্তীতে প্রাইস সে দিকে মুভ করবে। আপে ব্রেকআউট হলে আপের দিকে যাবে। ডাউনে ব্রেকআউট হলে নিচের দিকে যাবে। ডাউন সাইডে ভলিউম স্পাইক আসলে সাপোর্ট ফরমেশন। আপ সাইডে ভলিউম স্পাইক আসলে রেজিস্ট্যান্স ফরমেশন।
রিভার্সেল এর ফ্যাক্টর সমূহ :
১. ট্রেন্ড উইক ২. হাই ভলিউম ৩. সময় নিবে বা রেঞ্জ হবে ৪. বড় কেন্ডেলে ব্রেকআউট হবে।
৫. প্রাইস এর লোকেশন জানা
রিভার্সেল ওর রিট্রেস ট্রেড করার জন্য লোকেশন জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি প্রাইস সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্সের কাছাকাছি রিভার্সেল এর সব সাইন দেখা যায় যেমন ১. ট্রেন্ড উইক ২. হাই ভলিউম ৩. সময় নিবে বা রেঞ্জ হবে ৪. বড় কেন্ডেলে ব্রেকআউট হবে। তাহলে বুজে নিতে হবে প্রাইস রিভার্সেল হবে। আমাদেরকে কোন কেন্ডেল রিভার্সেল আর কোন কেন্ডেল কন্টিনিউয়াস তা জানতে হবে।
৬. রিলেটিভ ইনডেক্স
যদি ইনডেক্স ডাউনে যায় আর স্টক বুলিশ রিভার্সেল হয় তা হলে ওই রিভার্সেলে এন্ট্রি নেয়া যাবে না। ডাউন ইনডেক্সে বিয়ারিশ রিভার্সাল কাজ করে বেশি। বুলিশ রিভার্সাল কাজ করে কম। স্টকের ট্রেন্ড ইনডেক্স এর সাথে চলতে হবে।