গুরুত্বপূর্ণ ভলিউম এনালাইসিস
১. অনেক ভলিয়ম হওয়া সত্ত্বেও প্রাইস প্রতিদিন একই জায়গা থাকা মানে শেয়ারটির দাম আর বাড়বে না, কমে যাবে।
২. ভলিয়মের বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রাইস বৃদ্ধি পেলে এটা একটা বাই সিগনাল দেয়।
৩. অল্প ভলিউম কিন্তু দাম বৃদ্ধি মানে এটা একটা অফলোড কৌশল।
৪. কোনো শেয়ারের দাম ২০-৩০% বাড়ার পরে ১০-১৫% যদি কারেকশন হয়, সেই শেয়ার আবার বাড়তে থাকলে এটা একটা স্ট্রং বাই সিগনাল।
৫. বড় ভলিউমের সাথে প্রাইছ কমে যাওয়া মানে অফলোড হচ্ছে।
৬. যদি বড় ভলিউমের সাথে প্রাইস ৩ দিন বৃদ্ধি পেয়ে পরেরদিন ছোট কারেকশন হয় (ছোট ক্যান্ডেল হয়), তবে শেয়ারটি তার আপট্রেন্ড কন্টিনিউ করবে ইংগিত দেয়।
৭. বড় ভলিউমে দাম বৃদ্ধি হয়ে দিন শেষে লেনদেন কমে গিয়ে দাম কমা মানে ফলস ব্রেক আউট হয়েছিল।
৮. বড় ভলিউমে কয়েকদিন শেয়ারের দাম কমার পরে যদি হঠাৎ করে বাড়তে থাকে, তবে বুঝতে হবে এটা একটা ফলস রিভার্সাল, আবার দাম কমে যাবে।
৯. দীর্ঘদিন ধরে টপ ২০ ভলিউম এ থাকা শেয়ার তার বর্তমান রেজিস্ট্যান্সকে ব্রেক করতে পারছে না, মানে শেয়ার অফলোড হচ্ছে।
১০. অল্প ভলিউম নিয়ে ব্যাপক পতন হলে, শেয়ারটি যেদিন বাড়তে থাকবে, সেদিনই বাই সিগনাল।
১১. শেয়ারের ভালো নিউজ আসার আগে দাম ২০-৩০% বেড়ে গেলে, যখন নিউজ পাব্লিস হয়, তখন উচিত সেই শেয়ার থেকে বার হয়ে আসা।
১২. শেয়ারের দাম কমছে, কিন্তু মার্কেট ডিমান্ড বাড়ছে না, তখন এটা আর বাই সিগনাল দেয় না।
১৩. হঠাৎ গুড নিউজ এ যদি দাম বাড়ে এবং দিন শেষে ধরে রাখতে না পারে, তবে এটা একটা অফলোড পদ্বতি।
এটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত এনালাইসিস।