ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস পদ্ধতিতে কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং লাভজনক শেয়ার নির্বাচন পদ্ধতি :
সর্বোচ্চ আর্নিংস (ই পি এস)
পজিটিভ/ আগ্রেসিভ আর্নিংস গ্রোথস
সর্বনিম্ন প্রাইস আর্নিং রেশিও অর্থাৎ কম পি ই
সর্বনিম্ন পাবলিক হোল্ডিং শেয়ার
টপ ২০ টির আকর্ষণীয় মুভমেন্ট
শেয়ার বাই সেল করার পদ্ধতি :
অধিক কারেকশন হয়েছে এমন সম্ভাবনাময় শেয়ার
টার্গেটেড শেয়ারের দাম বেড়ে গেলে কমে কেনার জন্য অপেক্ষা করা।
বিকল্প বাই প্লানের অন্য শেয়ার যেগুলো কমে যাবে পাওয়া যাবে সেগুলো বাই করা।
শেয়ার বাই করার পর অল্প সময়ে দাম বেড়ে গেলে, ভলিয়ম অনেক বেড়ে গেলে, টার্গেটেড প্রাইস বা তারচেয়ে বেশি প্রাইস পেলে শেয়ার সেলের সুযোগ নেওয়া।
কয়েক দিন একটানা সূচকের বৃদ্ধি, শেয়ারের দাম বৃদ্ধি, সেইসাথে বড় ভলিউমে শেয়ার সেল করার সুযোগ নেয়া।
বিকল্প কেনার শেয়ার না থাকলে ক্যাশ হোল্ড করা।
বিচক্ষণতার সাথে সম্ভাবনা
ঝুঁকির সঠিক পরিমাপ
সঠিক নিয়মে বিনিয়োগ
সময় উপযোগী সঠিক কৌশল