এই ট্রেইনিং সেশনে জয়েন করে এবং যুক্ত থেকে, ট্রেইনিং এর গাইডলাইন, সুইচিং পদ্ধতি, ডিফেন্সিভ পোর্টফোলিও আইডিয়া এবং বিভিন্ন সেক্টর থেকে প্রেডিক্টেড সম্ভাবনাময় শেয়ার নির্বাচনের পদ্ধতি, বাজারের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সম্ভাবনাময় হাইলাইটেড শেয়ারের প্রাইস কম্পারিজন ফলো করে অস্থির বাজারেও অনেকেই ভালো লাভবান হয়েছেন।
সাপ্তাহিক এবং প্রতিদিনের আপডেটগুলো ফলো করে এবং শেখানো কৌশলগুলো সঠিকভাবে এপ্লাই করে সাম্প্রতিক বাজারে সেক্টরাল মুভমেন্টের সাথে তাল মিলিয়ে, একটাতে ভালো লাভ নিয়ে মুভমেন্টের আগেই অন্য সম্ভাবনাময় শেয়ারে সুইচ করে বেশ সফল হয়েছেন। ফ্লোর প্রাইস চালু থাকা পর্যন্ত যে অপরচুনিটির কথা বার বার বিশ্লেষণ করা হয়েছে, আগামীর বাজারেও এর বড় সুফল পাওয়া যাবে।
সবার জন্য একটাই বার্তা, বাজারের মুভমেন্ট পর্যবেক্ষণ করে সম্ভাবনাময় এবং যে সব ক্রাইটেরিয়ায় ফান্ডামেন্টাল শেয়ারকে চিহ্নিত করা হয়, সেই সকল শেয়ারের দাম বাড়ার আগেই পজিশন নেয়া উচিৎ। একটা শেয়ারের দাম অনেক বাড়ার পর সেটা থেকে সর্বোচ্চ প্রফিটের প্রত্যাশা না করে, অন্য যেটা তলানীতেই পড়ে আছে, মুভমেন্টের অপেক্ষায় সেসব শেয়ারে সুইচ করে পোর্টফোলিওতে অর্জিত গ্রোথ কে ধরে রাখা এবং অন্য শেয়ার যেটা কমার স্পেস নাই বাড়ার যথেষ্ট সুযোগ এবং সম্ভাবনা আছে সেইসব স্টকে নতুন করে পজিশন নিয়ে পরবর্তী মুভমেন্টের জন্য অপেক্ষা করা উচিৎ।
অনেকেই প্যানিকের স্রোতে লসে সেল করে অধিক বেড়ে যাওয়া ট্রেন্ডি শেয়ারে সুইচ করে নতুন করে আটকে যাচ্ছেন, এই প্রক্রিয়ায় লস শুধু বেড়েই যাচ্ছে। ফ্লোর বা ফ্লোরের কাছাকাছি সম্ভাবনাময় যে শেয়ারগুলোতে এখনো প্যানিক দেখা যাচ্ছে, ভলিউম নিয়ে ট্রেড হচ্ছে, কালেকশন শেষ হলেই সেগুলোতেও ভালো মুভমেন্ট দেখা যাবে, প্রত্যাশার চাইতেও বড় প্রফিট পাওয়ার সুযোগ আসবে, আশা করি সেটাও শীঘ্রই দেখা যাবে ইনশাল্লাহ।
স্টক মার্কেটে দুইটা অপরচুনিটি;
১) মার্কেট এবং সূচক যখন বুলিশ ট্রেন্ডে, হোল্ডিং স্টক বেশ বাড়তি দামে বা সর্বোচ্চ দামে, সর্বোচ্চ ভলিউমে ট্রেড হচ্ছে প্রফিট নেয়ার সুবর্ণ সুযোগ।
২) কারেকশন মার্কেটে, সুচকের বড় পতনে নির্বাচিত শেয়ার অনেক কম দামে, লুক্রেটিভ প্রাইসে ট্রেড হচ্ছে সেটা বিনিয়োগের জন্য সুবর্ণ সুযোগ।
বেসিক ফান্ডামেন্টাল ট্রেইনিং এর নিরাপদ এবং লাভজনক বিনিয়োগের জন্য খুবই পরীক্ষিত এবং নির্ভরযোগ্য ফর্মূলা।
Lowest -10