ট্রেন্ডলাইন ট্রেডিং মেথড এর বিস্তারিত আলোচনা
ট্রেন্ডলাইন ট্রেডিং মেথড:
ট্রেন্ডলাইন ট্রেডিং মেথড এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো
আপট্রেন্ড =লো -হাই -হাইয়ার লো- হাইয়ার হাই- হাইয়ার লো- হাইয়ার হাই-হাইয়ার লো- হাইয়ার হাই।
ডাউনট্রেন্ড =হাই -লো -হাইয়ার হাই-হাইয়ার লো- হাইয়ার হাই-হাইয়ার লো- হাইয়ার হাই-হাইয়ার লো।
যদি কোন সেক্টরের কোন শেয়ার ৯% - ১০% বাড়ে বা হল্ট হয় তখন ঐ সেক্টরের অন্য স্ট্রং শেয়ার যেগুলি আগে বেশি হরে বৃদ্দি পেয়েছিলো। সে শেয়ার গুলির দিকে দ্রুত নজর দিতে হবে। দেখতে হবে সেখান থেকে কোন শেয়ার টি বেশি ভলিউম / ভ্যালু নিয়ে মুভ করছে। আগামী ২/৩ দিন সে শেয়ার টি লিড দিতে পারে।
আমাদের মার্কেটে কি ট্রেন লাইন কাজ করে?
যদি সঠিকভাবে ট্রেন্ডলাইন আঁকা হয় তাহলে এটি আমাদের মার্কেটে ট্রেন্ডলাইন ভালোভাবেই কাজ করে তা আমরা দেখতে পাব অনেকেই বলে থাকেন যে ট্রেন্ডলাইন কাজ করে না আসলে কথাটা ঠিক না ট্রেন্ডলাইন কাজ করে কিন্তু আমরা বুঝতে পারি না ।
ট্রেন্ড লাইন এর লজিক কি ট্রেন লাইন কেন হয়?
স্মার্ট মানে হরিজনটাল সাপোর্ট লাইন / ট্রেন্ড লাইন দেখে। প্রতিটা স্টক কিছু-না-কিছু প্যাটার্ন ফলো করে হোক সেটা হরিজনটাল সাপোর্ট লাইনে অথবা ট্রেন লাইনের কাছাকাছি এসে সেটা তৈরি করে। যখন হরিজনটাল সাপোর্ট লাইন এবং ট্রেন্ডলাইন দুটোর সময় তৈরি করে ট্রেড নেওয়া হয় তখন সেটি একটি কিলার কম্বিনেশন হয় এবং একটি সফল ট্রেড হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে । কিলার কম্বিনেশন: হরিজনটাল লাইন ট্রেন লাইন এর মিলিত স্থান একটি সিওর শট।
ট্রেন্ডলাইন কি?
যে লাইন ট্রেন্ডের ডিরেকশন দেখায় তাকে ট্রেন্ড লাইন বলে । প্রাইস হাই আর হাই তৈরি করে উপরের দিকে গেলে তাকে আপট্রেন্ড বলে। আপট্রেন্ডের জন্য আপ ট্রেন্ডলাইন ডাউনট্রেন্ড এর জন্য ডাউন ট্রেন লাইন এবং সাইজের জন্য হরিজনটাল সাপোর্ট লাইন
যখন আপট্রেন্ড টানা হয় তখন যদি আপট্রেন্ড লাইন এর উপরে ট্রেড হয় তখন এটিকে আপট্রেন্ড বলা হয়। হরিজনটাল লাইন যেভাবে কাজ করে ট্রেন্ড লাইন ঠিক একই লজিকে কাজ করে।
ট্রেন্ড লাইন অ্যাঙ্গেলে তৈরি হয়। সাপোর্ট লাইন হরিজনটালে তৈরি হয় । ট্রেন্ড লাইন সাপোর্ট রেজিস্ট্যান্স এর মত তিন রকম ট্রেড যায় 1. ব্রেকআউট ট্রেড 2.ব্রেকআউট ফেল ট্রেড 3. রিভার্সেল ট্রেড করা যায় । ট্রেড নেবার জন্য কোনটা ভাল হরিজনটাল সাপোর্ট লাইন নাকি ট্রেন্ডলাইন সাপোর্ট । এ দুটোর মধ্যে হরিজনটাল লাইন সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ট্রেড নেওয়ার জন্য। যখন প্রাইস আপট্রেন্ডে থাকে তখন সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স ট্রেন্ড লাইন আঁকতে হয় । একে ডিমান্ড লাইনে ও বলা যায়। সাপোর্ট লাইন এবং ডিমান্ড লাইন দুটোর অর্থ কি একই ।
ট্রেন্ড লাইন কিভাবে আকব আঁকবো ?
প্রথম দুটি সুইং লো কে পয়েন্ট কে টাচ করে মিলিত করে এ লাইন টানা হয় এবং থার্ড লো পয়েন্ট কে মিলিত করলে এটি কনফার্ম করে যে ট্রেন্ড লাইন টি ভ্যালিড হয়েছে। তিনটি সুইং লো পয়েন্ট এর মিলিত ট্রেন্ডলাইন কে একটি ভ্যালিড ট্রেন্ড লাইন বলা হয়। একটি ভ্যালিড ট্রেন্ড লাইন হতে হলে মিনিমাম তিনটি লো পয়েন্ট কে টাচ করতে হয় তিনটি লো পয়েন্টে টাচ করার মানেই হলো এটি একটি ভ্যালিড ট্রেন্ড লাইন। যদি তিনটি লো পয়েন্ট মিলিত হয়ে ট্রেন্ড লাইন ড্র করা হয় তখন সে ট্রেন্ডলাইন কে এডজাস্ট করার প্রয়োজন নেই। ডাউনট্রেন্ড এর ট্রেন্ড লাইন কে রেজিস্ট্যান্স ট্রেন্ড লাইন বা সাপ্লাই লাইন বলা হয় । আপট্রেন্ডের সাপোর্ট লাইন ড্র করার পর তার প্যারালালে উপরে প্রথম সুইং হাই হতে একটি লাইন টানা হয় সে লাইনকে ওভারবট লাইন বলে বা রেজিস্ট্যান্স লাইনে বলে বা সাপ্লাই লাইন বলে। যদি কেউ সাপোর্ট লাইনে বাই করে তখন তার প্রফিট বুকিং টার্গেট থাকে উপরের রেজিস্টেন্স লাইনে।এটিকে টার্গেট লাইনে বলা হয় । আপট্রেন্ডের নিচের ট্রেন্ডলাইন টি হল ডিমান্ড লাইন এবং উপরের ট্রেন্ডলাইন টি হল ওভারবট লাইন। ডাউনট্রেন্ডে ঠিক এর বিপরীত হয় ।
সঠিকভাবে কিভাবে একটি ট্রেন্ডলাইন আঁকা যায়?
ট্রেন্ড লাইন কত প্রকার ?
ট্রেন্ড লাইন হল তিন প্রকার
১. মেজর ট্রেন্ডলাইন বা প্রাইমারি ট্রেন্ডলাইন
২. সেকেন্ডারি বা ইন্টারমিডিয়েট ট্রেন্ডলাইন
৩. কারেক্টিভ ট্রেন্ডলাইন
১. মেজর ট্রেন্ডলাইন বা প্রাইমারি ট্রেন্ডলাইন:
মেজর ট্রেন্ডলাইনের জন্য মিনিমাম তিনটা টাচ হতে হবে।প্রাইস হাই আর হাই তৈরি করে উপরের দিকে গেলে তাকে আপট্রেন্ড বলে। ট্রেন্ডলাইনে যত বেশি হবে তত ভালো শক্তিশালী ।
২. সেকেন্ডারি বা ইন্টারমিডিয়েট ট্রেন্ডলাইন:
সর্বশেষ দুটি সুইং লো কে কানেক্ট করে এই ট্রেন্ড লাইন ড্র করতে হয়। সেকেন্ডারি বা ইন্টারমিডিয়েট ট্রেন্ডলাইনকে ডাইনামিক ট্রেন্ডলাইন ও বলা হয়। প্রাইস যদি মেজর ট্রেন্ডলাইন বা প্রাইমারি ট্রেন্ডলাইন এবং সেকেন্ডারি বা ইন্টারমিডিয়েট ট্রেন্ডলাইন কে ব্র্যাক আউট করে তা হলে তাকে ডাউনট্রেন্ড বলা যাবে না। ডাউনট্রেন্ড কখন হয় যখন সুইং হাই সুইং লো ব্র্যাক আউট হয় তখন দন ট্রেন্ড হয়। ট্রেন্ড লাইন ব্রেক আউট হলে এটি একটি সতর্কবার্তা একই হলে আমাদেরকে সতর্ক হয়ে যেতে হবে প্রাইস যে কোন সময় ডাউন হয়ে যেতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে ।
৩. কারেক্টিভ ট্রেন্ডলাইন:
সেকেন্ডারি বা ইন্টারমিডিয়েট ট্রেন্ডলাইন এ যে কন্ডিশন হয় কারেক্টিভ ট্রেন্ডলাইন এ ও একই রকম হয়। ১. এটি মেজর ট্রেন্ডলাইনের বিপরীতে আঁকতে হয় ২. যে কারেকশন মুভ আসে তার লাস্ট দুই হাইকে টাচ করে কারেক্টিভ ট্রেন্ডলাইন ড্র করতে হয়। প্রাইস ওভারবট হয়ে গেলে ডিপ কারেকশন হয়।
সেকেন্ডারি বা ইন্টারমিডিয়েট ট্রেন্ডলাইন এবং কারেক্টিভ ট্রেন্ডলাইন এর পার্থক্য কি ?
সেকেন্ডারি বা ইন্টারমিডিয়েট ট্রেন্ডলাইন সর্বশেষ দুটি সুইং লো কে কানেক্ট করে এই ট্রেন্ড লাইন ড্র করতে হয়। কারেক্টিভ ট্রেন্ডলাইন এ লাস্ট দুই হাইকে টাচ করে কারেক্টিভ ট্রেন্ডলাইন ড্র করতে হয়। যখন ট্রেন্ডের স্পিড বাড়ে তখন ইন্টারমিডিয়েট ট্রেন্ড লাইন তৈরি হয়। ইন্টারমিডিয়েট ট্রেন্ড লাইন ব্রেক হলে প্রায় মেজর ট্রেন্ড লাইন পর্যন্ত চলে আসে
এই তিন রকম ট্রেন্ডলাইনের বাইরে চার্টে অন্য কোন ট্রেন্ডলাইন আঁকা উচিত না। এই তিন রকম ট্রেন্ডলাইনের বাইরে বেশি ট্রেন্ড লাইন ড্র করলে কনফিউশন তৈরী হয়। জোর করে কোন ট্রেন্ড লাইন ড্র করা উচিত না ।
ট্রেন্ড লাইন ট্রেডিং ধাপ:
১. ড্র মেজর ট্রেন্ডলাইন
২. ড্র সেকেন্ডারি বা ইন্টারমিডিয়েট ট্রেন্ডলাইন (অপশনাল)
৩. ড্র কারেক্টিভ ট্রেন্ডলাইন
যখন তিনো ট্রেন্ড লাইন চার্টে দেখা হয়ে যায় তখন আমাদের বাই সিদ্ধান্ত নিতে হয়। যদি আপট্রেন্ড হয় তখন বাই সাইড এ যেতে হবে। বাই কখন করব যখন কারেক্টিভ ট্রেন্ডলাইন ব্রেকআউট হবে।
ট্রেন্ড লাইন বাই কখন করব?
যখন কারেক্টিভ ট্রেন্ডলাইন ব্রেক আউট হবে তখন বাই করব। যখন প্রাইস সুইং লো ব্রেক করবে তখন ট্রেন্ড চেঞ্জ হবে।
ভ্যালিড এন্ট্রি : সাপোর্ট ট্রেন্ড লাইন থেকে রিজেকশন + কারেক্টিভ ট্রেন্ডলাইন ব্রেকআউট। চার্ট সব সময় পরিষ্কার রাখতে হয়।
https://www.youtube.com/watch?v=IDxAIQ7M3I0&list=PLEBJVA1q-TlkXYqlDMFXCJUEUF3Md4_xj&index=1&ab_channel=LearnToTrade